ফেনী জেলা ইসলামী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাওলানা একরামুল হক ভূঞা এর পরিচিতি

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২০
ফেনী জেলা ইসলামী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাওলানা একরামুল হক ভূঞা এর পরিচিতি

ফেনী জেলা ইসলামী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাওলানা একরামুল হক ভূঞা এর পরিচিতি

মুহাম্মাদ একরামুল হক ভূঞা, তিনি ফেনী সদর থানার ধলিয়া ইউপি’র ৭ নং ওয়ার্ড দৌলতপুর ছালামত উল্লাহ ভুঁঞা বাড়িতে ২৩ শে নভেম্বর১৯৮২সালে জম্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী আবদুল হাই ভুঁঞা একজন ইমাম ও খতিব এবং কর্মজীবনে কৃষক ছিলেন।

ছাত্র জীবন:
জনাব একরামুল হক ভুঁঞা কিশোর জীবনে নিজেদের বাড়ির আঙ্গিনায় অবস্থিত পশ্চিম দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেনীর পড়াশোনা শেষ করেন। ১৯৯০ সালের শেষ দিকে তিনি মিরসরাই জামালপুর আজিজিয়া মাদরাসায় ইবতেদায়ী থেকে পূণরায় পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর ফেনী জামেয়া ইসলামিয়া, চট্রগ্রাম জিরি আরবি ইসলামী মাদরাসা এবং পরবর্তীতে ২০০১/২০০২ সালে হাটহাজারী আরবী বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে সুনামের সহিত হাদীস শাস্ত্রে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবন:
২০০০ সালের ছাত্রজীবন থেকেই ফেনী – সদরের রাজার হাটে পার্টনারশিপে টেলিকমিউনিকেশন ও ডেকোরেটর ব্যাবসা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
২০০৩ সালে পার্টনারশিপ নিয়ে ফেনী শহরস্থ এস এস কে সড়কের খন্দকার গলিতে টেলিকমিউনিকেশনের উপর “শুভেচ্ছা টেলিকম” নামক একটা শোরুম করেন। এরপর শহরের রোকেয়া শপিং সেন্টারে সিটি এন্টারপ্রাইজ নামক আরেকটা জিপি ও রবি সিমের পয়েন্ট নিয়ে ব্যাবসা চালান। ব্যবসায় অগ্রসর চলাকালীন ২০০৭ সালে ১/১১ সময়ে সরকারি সম্পত্তির উপর মার্কেটের অগ্রভাগ সেনাবাহিনী কতৃর্ক ভেঙে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ এর আগস্টের দিকে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে গমন করেন এবং আলআইনের “গাতারা মসজীদে”র ইমাম হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০০৯ সালের শুরুতে আলআইন “আবদুল আজীজ সায়িদ আল সামছি ” জেনারেল কন্টাক্টিং কোম্পানির সুপার ভাইজার হিসেবে ৪ বছর কর্মরত থেকে অত্যন্ত সুনাম ও সু-খ্যাতির মাধ্য‌মে ২০১২ সালে সেচ্ছায় স্থায়ীভাবে দেশে চলে আসেন। এরপর থেকে দেশে সরকারি অনুমোদিত একটি রিয়েল এস্টেটে কোম্পানির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সাংগঠনিক জীবন:
১৯৯৬ সালে সংগঠনের সদস্য ফরম পূরণের মধ্য দিয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সদস্য হন। একই বৎসর উল্লেখিত মাদরাসায় ছাত্র সংগঠনের কমিটির ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে সভাপতি মনোনিত হন।২০০৮ সালে মিরসরাই থানা ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে থানা সহ-সভাপতির পর ১৯৯৯ সালে ফেনী জেলা ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র কল্যান সম্পাদক এর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ২০০০ সালে দপ্তর সম্পাদক, ২০০১ সালে জিরি মাদরাসায় সহ -সভাপতির পদে থাকাকালীন পীর সাহেব চরমোনাই’র নেতৃত্বে মরহুম হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চট্রগ্রাম দক্ষিণ পটিয়া থানা নির্বাচন কমিটির কো-সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৩ /৪ ফেনী জেলা ছাত্র আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মনোনিত হন। এর পর ব্যাবসায়িক ব্যাস্ততা ও প্রবাস সময় পর ২০১২ সালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্য ফরম পূরণের মধ্যে দিয়ে মূল সংগঠনে যুক্ত হন, ২০১৩ সালে ইসলামি আন্দোলনের ফেনী জেলা কমিটির সদস্য হন। এরপর পর্যায়ক্রমে জেলা কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং ফেনী সদর থানা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এবং বিভিন্ন উপকমিটি ও বাস্তবায়ন কমিটি সুমহের সদস্য সচিব হয়ে বিচক্ষণ ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ /১৯ সেশনে ফেনী জেলা আইন সম্পাদক নির্বাচিত হন। এবং ফেনী মহিপাল সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ঐতিহাসিক চরমোনাই নমুনায় তিনদিনের মাহফিল বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে যৌথ কমিটি ও বাস্তবায়ন কমিটির বিশেষ অনুরোধে সদস্য সচিব এর দায়িত্ববার গ্রহণ করেন। অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও দক্ষতার সহিত মাহফিল সফল করে ব্যাপক দোয়া ও প্রশংসায় উজ্জীবিত হন। ২০১৯ সালের কমিটিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা জয়েন্ট সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে আজ পর্যন্ত সকল কার্যক্রম আন্জাম দিয়েছেন।

তিনি বর্তমানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলার জয়েন্ট সেক্রেটারি থেকে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মনোনীত হয়েছেন। জেলা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সিনিয়র সহ-সভাপতি,
তিনি কমিটমেন্ট আবাসন লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, ওমানস্থ ফেনী সমিতির সেক্রেটারি, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী সমিতির সভাপতি, রাজার হাট আশরাফিয়া মাদরাসার সভাপতি, রাজার হাট ঈদগাহ কমিটির সভাপতি, রুহুল আমীন ভুঁঞা জামে মসজীদের সেক্রেটারি,
এবং সর্বশেষ ফেনী সদর ধলিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হাতপাখার প্রতীক নিয়ে প্রার্থী ছিলেন।

Sharing is caring!