ত্রান তৎপরতায় সর্বাগ্রে আলেমসমাজ, খোঁজ নেই সুবিধাভোগী সুশীলদের

আওয়ার বাংলাদেশ ২৪
প্রকাশিত জুন ২২, ২০২২
ত্রান তৎপরতায় সর্বাগ্রে আলেমসমাজ, খোঁজ নেই সুবিধাভোগী সুশীলদের

আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক:

বরাবরের মতো এবারো সিলেটের দুর্যোগের ত্রান-সহায়তায় সর্বাগ্রে আছেন এদেশের আলেমসমাজ। দেশের সব দূর্যোগেই আলেমসমাজ সবার আগে ঝাপিয়ে পড়েন, নিজেদের অর্থ, সম্বল এমনকি প্রাণোৎসর্গ করতেও দ্বিধা করেন না।
দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ করোনা মহামারীতে যখন মানুষ আতংকিত ছিল, ঘর থেকে বেরুনোর সাহস করেনি, আপনজনের লাশ ফেলে অন্যত্র চলে গিয়েছিল, সেসময় মাঠে ছিলেন এই আলেম সমাজ। মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, ওষুধ ও অক্সিজেন ব্যবস্থা করা, মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ও করোনায় নিহত ব্যক্তিকে গোসল করিয়ে লাশ দাফন করার কাজে আলেমসমাজই মাঠে ছিলেন।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডের দুর্যোগেও উদ্দ্বার তৎপরতা ও পরবর্তীতে সার্বিক সহায়তায় মাঠে ছিলেন এই আলেমসমাজ।

চলমান সিলেটের ভয়াবহ বন্যায় বিপন্ন মানবতার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আলেমসমাজ।
অথচ, এদেশের একচোখা হলুদ মিডিয়াগুলো আলেমসমাজের এসব মানবিক তৎপরতার খবর প্রচারে বরাবরের মতোই নিরব আছে।

আমাদের দেশের সুবিধাভোগী সুশীলরা যারা টকশো ও অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে আলেম উলামাকে নিয়ে হেয় প্রতিপন্নকর মন্তব্য করে, জাতির কোন দুর্যোগেই তাদের দেখা মেলে না। তারা তখন গর্ত লুকায়।
বরাবরের মতো এবারো সিলেটের দুর্যোগে তাদের খোঁজ নেই।
ঘাদানিকের মানিক, তুরিন আফরোজ ও শাহরিয়ার কবিররা কিছুদিন আগেও আলেমসমাজকে ধর্মব্যবসায়ী বলে ব্যাঙ্গাত্মক কথা বলেছিল, অথচ জাতির দুর্দিনে সেই কথিত ধর্মব্যবসায়ীরাই মাঠে আছেন, মাঠে নেই সেসব সুশীল নামীয় কুশীলরা, দেখা নেই সেসব চেতনা ব্যবসায়ীদের।


বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, দুর্যোগ ব্যবস্থা লাগব হলে সুবিধাজনক সময়ে এই চেতনাবাজ চামড়া ব্যবসায়ীরা ঠিকই গর্ত থেকে বেরুবো, এবং জাতির রিয়েল হিরো ও জনদরদী আলেমসমাজকে কটাক্ষ করে কথা বলবেই। তবে কালের পরিক্রমায় এদেশের আপামর জনতার চোখ খুলতে শুরু হয়েছে, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদি সাধারণ মানুষ এই ভণ্ড চেতনাব্যবসায়ীদের টুটি চেপে ধরবে।

Sharing is caring!