কোম্পানীগঞ্জে “নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের” বাস চাপায় এক সাইকেল আরোহী নিহত

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ২২, ২০১৯
কোম্পানীগঞ্জে “নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের” বাস চাপায় এক সাইকেল আরোহী নিহত

নুরুল হক
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযু্িক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চাপায় এক সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার সময় উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার বসুরহাট-সোনাপুর সড়কের ৩নং ওয়ার্ডস্থ ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা সংলগ্ন মওদুদ স্কুল সড়কের মাথায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইকেল আরোহীর নাম আব্দুর রহিম(২৮)। সে কবিরহাট উপজেলার ৫নং চপ্রাশিরহাট ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড শুক্লামদ্দি গ্রামের মো: ছিদ্দিক উল্যার ছেলে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের পরিবহনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস(নোয়াখালী-এসএ-১১-০০০৮) সোনাপুর থেকে বসুরহাট আসার পথে বসুরহাট পৌরসভার বসুরহাট-সোনাপুর সড়কের ৩নং ওয়ার্ডস্থ ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা সংলগ্ন মওদুদ স্কুল সড়কের মাথায় সাইকেল আরোহী আব্দুর রহিমকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা বাসটিকে আটকের চেষ্টা করলে বাসের চালক কিছু দূর গিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে রেখে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটিও আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ফয়সাল আহমদের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইয়াছিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আরিফুর রহমান জানান, দূর্ঘটনায় নিহতের লাশ থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। বাসটিও আটক আছে। আপাতত এতটুকু বলতে পারছি যে, পরবর্তী কার্যক্রম চলছে।
একই বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক মমিনুল হক জানান, কোন দূর্ঘটনাই ইচ্ছাকৃত নয়। যেহেতু অনিচ্ছাকৃত দূর্ঘটনা ঘটে গেছে। এখন আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্র্তৃপক্ষ বসে বিষয়টি দেখবো।
এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তার চাচা আবুল কালাম জানান, আমরা গরীব মানুষ মামলা মোকদ্দমায় গিয়ে আমাদের কি লাভ হবে। যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরন দেয় এবং নিহতের স্ত্রী ও তার অবুঝ শিশু সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে কিছু করে তাহলে আমরা আপোষ মিমাংসা করে নিব।

Sharing is caring!