বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এর হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসি দিন – ইশা ছাত্র আন্দোলন পিরোজপুর দক্ষিণ

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০১৯
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এর হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসি দিন – ইশা ছাত্র আন্দোলন পিরোজপুর দক্ষিণ

এ এম আতাউল্লাহ বাঙ্গালী

আজ ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া শহীদ মিনার সম্মূখে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন পিরোজপুর জেলা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে জেলা সভাপতি এম এম রেদওয়ান হুসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণসম্পাদক ওমর ফারুক শাকিলের সঞ্চালনায় বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এর হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ফাঁসি কার্যকর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলপুর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মুহাম্মাদ আবু বকর। বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভান্ডারিয়া উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব বাদশা জোমাদ্দার, সেক্রটারী মুফতী জাকারিয়া আল কাশেমী, ইসলামী যুব আন্দোলন ভান্ডারিয়া উপজেলা সভাপতি মুফতী রেদওয়ানুল করীম, ইশাছাত্র আন্দোলন ভান্ডারিয়া পৌর সভাপতি এইচ এম আবুল হাসান প্রমুখ।

মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্বজিৎসহ পরবর্তী হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারকার্য সম্পাদিত না
হওয়ায় সন্ত্রাসীরা একের পর এক হত্যাকান্ড ঘটানোর সাহস পেয়েছে। দেশব্যাপী নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িতরা দ্রুত ক্ষমতাসীন নেতা ও প্রশাসনের সহযোগীতায় ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যায়, ফলে এধরনের নৃশংসতা এখন নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনায় রূপ নিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর ন্যায় এ ঘটনাটিও মাটি চাপা পড়ে গেলে ভবিষ্যতে আরো কত নৃশংসতার স্বাক্ষী হতে হয় তা আমাদের জানা নেই। দেশব্যাপী এসব ঘটনা বন্ধ করতে হলে আবরার হত্যায় জড়িতদের সকলকে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পর নিহত ব্যক্তির কল্পিত রাজনৈতিক পরিচয়কে সামনে এনে পশুসুলভ হত্যাকাণ্ডকেও নৈতিকভাবে সমর্থন করা হয়। আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডকেও এরূপ নৈতিক সমর্থন দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আজ জাতির সামনে প্রকাশ্য দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, এই হত্যাকাণ্ড ছিল বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। ছাত্রলীগের লাগাম এখনই টেনে না ধরলে এরা বাংলাদেশের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। নীতিহীন সমাজব্যবস্থাও অনেকাংশে এসব ঘটনার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ।

Sharing is caring!