করোনাকালীন মানবসেবায় ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা

আওয়ার বাংলাদেশ ২৪
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০
করোনাকালীন মানবসেবায় ইসলামী আন্দোলনের ভূমিকা

করোনা নামক মহামারী পৃথিবীর ইতিহাসে শুধু নতুন রোগই নয়, নতুন কিছু শিক্ষাও বটে!

যা বর্তমান প্রজন্ম যুগ যুগ ধরে স্মরণ রাখবে।

যে সন্তানের করোনা পজেটিভ বাবা বা মায়ের লাশ প্রতিবেশীর বাঁধায় বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয় না সে সন্তানের অন্তরের কালো দাগ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মুছবে না। যদিও দুনিয়াবী সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা চলতে থাকবে।

করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই তার চিকিৎসা ব্যবস্থা কি হবে এ নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের ঘাম ঝড়াতে হয়েছে বহু সময়। তারপরেও মৃত্যুর হার হ্রাসে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। যেমন কোনো কঠিন ঝড়ে জাহাজডুবি ঘটলে একজন যাত্রীর যে অবস্থা হয় করোনা তার প্রতিফলন দেখিয়েছে। বাচার জন্য বয়া না পেলেও ভাসমান কিছু পেলেই জড়িয়ে ধরে। তার মাথায় শুধু একটাই চিন্তা কখন কূলের সন্ধান পাবো।
করোনার প্রাথমিক অবস্থাটা ঠিক এরকমই ছিল। করোনা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য পোষাক কি হবে,খাবার কি হবে এবং বাহিরে চলাচলে কি কি সতর্কতা অবলম্ব করবো বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরামর্শ অনুযায়ী তা ঠিক করা হয়।

চায়নাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাড়ি থামিয়ে গাড়ির বডি, চাকা, রাস্তা, ড্রেন এমনকি মানবদেহের পরো অংশ জুতার তলা পর্যন্ত জীবাণু নাশক স্প্রে করা হয়।

করোনার প্রথম অবস্থায় কিধরনের মাস্ক ব্যবহার কার্যকরী হবে তা নিয়েও অনেক সংশয় ছিল।আট দশ প্রকারের মাস্ক নিয়ে ডাক্তারদের গভেষনা শুরু হল শেষ পর্যন্ত N-95 না পেলে ২য় পর্যায়ে সার্জিকেল মাস্ক ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হলো। সুতি বা কটন জাতীয় কোন মাস্ক ব্যাবহারে ধুলাবালি রোধ ব্যাতিত করোনায় কোন উপকারে আসবেনা এ সিদ্ধান্তই দিয়ে দিল।
কিন্তুু করোনাকালীন মহামারী চার পাচঁমাস অতিবাহিত হওয়ার পর দৃশ্যপট পুরো পাল্টে গেল।
করোনাকালীন পোষাক পিপিই সহ সকল সেফটি বাদ দিয়ে শুধু মাস্ক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়া হল।
বাজারে সরবরাহকৃত সকল মাস্ক এর সাইতে সুতি মাস্কই সবচাইতে ব্যবহারের উপযোগী বলে সিদ্ধান্ত দেয়া হল। করোনা থাকলেও হয়তো একদিন মাস্ক ব্যাবহার আর থাকবেনা।
কারন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইশোলেশন ওয়াডে ডিউটিরত অবস্থায় নার্স বা সেবিকাদের যখন দেখি থুতলির নীছে মাস্ক, একেবারে অরক্ষিত! তখন তাদের জিজ্ঞেস করলে বলে আর কত, এখন আর ভালো লাগছেনা,

“আল্লাহর উপর ভরসা”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দৈনিক যে করোনা আপডেট বা বুলেটিং দেয়া হতো এখন তাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
লঞ্চ-বাস গণপরিবহনে উপচেপড়া ভিড়, যানজট সে আগের মতই, মার্কেটগুলোও জমে উঠেছে, দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় খুলে দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি আমরা বলতে পারি বাংলাদেশ করোনা মুক্ত হয়ে গেছে! বা করোনা থেকে নিরাপদ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ?

যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে জানাজার নামজের উপস্থিতির সীমাবদ্ধতা, মাসজিদে নামাজের নিরাপদ দূরত্ব ও স্কুল কলেজ বন্ধ কেন?

ভাড়ায় চালিত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কি যে অবস্থা,
সে প্রতিষ্ঠানের মালিক, শিক্ষক, কর্মচারী তারাই বলতে পারবে, তাদের পারিবারিক জীবন কি ভাবে কাটছে। একমাত্র পালনকর্তা, রিজিকদাতা মহান মালিকের উপর ভরসা ব্যাতিত আর কোন পথ তাদের সামনে খোলা নেই।

হ্যাঁ একটা হয়েছে করোনার আতঙ্ক অনেকটা কেটে গেছে, দুই তিনমাস যারা হোমকোয়ারেন্টএ ছিলেন তারা অনেকে ঘর থেকে বের হয়েছেন, করোনায় মৃতদের জানাজায় কিছুটা হলেও লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বজনরাও দাফন কাজে নিয়োজিত সেচ্ছাসেবকদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেওয়া তিন মাসের আপডেট পরিসংখ্যান করলে বুঝা যাবে গড় আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতু্র সংখ্যা কত। এরদ্বারা বুঝা যায় করোনা যায়নি, মৃতু্র সংখ্যাও কমেনি আক্রান্তের হারও কমেনি। শুধু আমাদের মনের ভয় অনেকটা কমে গেছে।

দুনিয়ার বাস্তব ইতিহাস এটাই বলে।
দুই ভাই একসাথে ঘরথেকে বের হয়েছে, একভাই যে কোন দুর্ঘটনায় হাসপাতাল কিংবা কবরে চলে গেছে, আরেকভাই সুস্থ-সবল অবস্থায় বাসায় ফেরত এসেছে।
একই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়ে একই ধরনের ঔষধ সেবন করে একজন সুস্থ আরেকজন মৃত। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একই বেড থেকে একজন সুস্থ হয়ে হাসি আনন্দের সাথে পরিবারের সাথে আপন গৃহে চলে যায়। অপরদিকে আরেকজন চিরনিদ্রায় শাহিত হয়ে পরিবারের সদস্যদেরকে কাঁদিয়ে চার পায়া খাটিয়ায় করে পরজগতে চলে যায়। অনেক ডাক্তার নার্স, পুলিশ, সাংবাদিক সহ শতভাগ সেফটি ব্যাবহার করেও কোভিড-১৯ থেকে রেহাই পায়নি। অনেকে আবার শতভাগ দায়িত্ব পালন করার পরেও আল্লাহ্ রক্ষা করেছেন তাদেরকে ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, করোনাকালীন লকডাউন, সাস্থ্যবিধি মানা, হোমকোয়রেন্টে থাকা এবং করোনা টেস্ট এর আগ্রহ থেকে শুরু করে দাড় বিহীন নৌকার মতো এলোমেলো, হজবরল এর মতোই। এর মূল কারন আমার দৃষ্টিতে সরকারের প্রতি অবিশ্বাস ও অনাস্থা।
সরকারের কোন নির্দশনাই যখন মানা হচ্ছিলনা তখন বিশ দলীয় জোটের নেতা আন্দালিব রহমান পার্থ একটি সুন্দর পরামর্শ সরকারকে দিয়েছিলেন। যে আপনাদেরকে দেশের জনগন বিশ্বাস করেনা, এ কারনে আপনাদের কথা জনগন শুনেনা। উনি নিজের কথাও উল্লেখ করে বলছেন, আমি যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মাসজিদে না পড়ে অন্যদেরকে যদি নামাজ পড়ার তাগিদ দেই তাহলে আমার কথাও মানুষ শুনবেনা।
এ দেশের মানুষ যাদের কথা শুনে এবং যাদেরকে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে তাদের সাথে সরকারের বসা উচিত। বিশেষ করে আল্লামা আহমদ শফি এবং চরমোনাইর পীরসাহেব এর সাথে। এরা দেশের ধর্মীয় শীর্ষ নেতা হিসাবে এদের কথা মানুষ শুনে।

যাই প্রধানমন্ত্রীর কথার উপর কিছুটা আস্থা মানুষ রাখতো তাও শেষ করে দিয়েছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন সেক্টরে বসানো জাতীয় দুর্নীতিবাজরা। যেখানেই তদন্ত সেখানেই লুটতরাজের মহোৎসব আর কালোটাকার খনি। সরাদুনিয়ার পরাশক্তি আধিপত্যবাদদের কাত করে দেয়া, এই মহামারী করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশ যখন নিমজ্জিত হয়েছিল, যখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা অসহায় দরিদ্র কর্মহীন মানুষের কথা চিন্তা করে নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ বিতরনে ব্যাস্ত।
করোনা রুগি মারাগেলে আত্মীয়স্বজন প্রতিবেশী কেহ এগিয়ে আসছেনা পৃথিবীর ইতিহাসে এ করুন দৃশ্য দেখে, মানবতার চরম দূর্দিনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মানবতাবাদী নেতা, পীরসাহেব চরমোনাইর নির্দেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারিবারিক বাধা উপেক্ষা করে লাশ দাফন নিয়ে ব্যাস্ত।
ঠিক সেই সময়ে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা অসহায় কর্মহীন ক্ষুধার্ত মানুষের মাথাপিছু বরাদ্দকৃত ত্রাণের, চাল ডাল তেল চুরির কাজে ব্যাস্ত হয়ে যায়। যা দেশপ্রেমিক জনগনকে ভাবিয়ে তোলে।

একদিন টকশোতে একজন বলেছিলেন করোনায় ক্ষতি যা হওয়ার হয়েছে বা আরো হবে, অপরদিকে উপকার হয়েছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যোগ্যতা, শাহেদ, ডাঃ সাবরিনার মতো ব্যক্তিদেরকে জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যাই বলেন করোনাকালীন চিকিৎসা সরাঞ্জামাদী কেনাকাটায় যে দুর্নীতি হয়েছে তার হিসাব এ জাতী আর কোনদিন পাবে কিনা সেটা আমার জানানাই। অনেকে বলেছেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিজেই আইসিইউতে আছে সেখান থেকে সঠিক চিকিৎসা, সঠিক পরীক্ষা নিরীক্ষা কখনোই সন্ভব না।
শুধু দু একজন ব্যাক্তি পরিবর্তন নয়, পুরো সাস্থ্যবিভাগের আমূল পরির্বতন আনতে না পারলে আমাদের কপালে আরো অনেক দুর্ভোগ আছে।

করোনা নিয়ে বিনোদনও কম হয়নিঃ
অনেকে করোনা উপর শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছে যে, করোনা নাকি বাংলাদেশে এসে অপমানিত হয়েছে!
বাংলাদেশের মানুষের নাকি জিহ্বা থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত বালির আবরণ দ্বারা বেষ্টিত, তাই করোনা সেখানে গিয়ে আক্রমনের সুযোগই পায়না!
আরেকদিক দেখলাম এক বোন N-95 মাস্ক পড়ছে, কিন্তুু মাস্কের চারদিক পুতি বসানো! চিন্তা করলাম করোনা লাশ দাফনের সুবাধে বহু প্রকারের মাস্ক ব্যবহারের সুযোগ হয়েছে ঠিক, এ রকম মাস্ক কখনো দেখিনি।।

আমি অনেক সময় চিন্তা করি করোনা মহামারিতে মানবতার কল্যানে সামান্য কিছু কাজ যেমন, আমাদের ব্যাক্তিগত দান থেকে সাধ্যানুযায়ী করোনা কালীন ত্রাণ সামগ্রী বিতরন, বিশেষ করে করোনায় মৃতদের কাফন দাফনের কারনে , ওলামায়ে কেরাম, রাজনৈতিক, সামাজিক, বুদ্ধিজীবী এবং সাংবাদিক মহলের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, সম্মান ও স্নেহ পেয়েছি তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কিন্তুু মানুষ কতোদিন আমাদেরকে স্মরণ রাখবে তা জানি না। কারন আমরা ভুলে যাওয়ার জাতি। দুনিয়ার মোহ আর ক্ষমতার লোভে অনেক ভালোকেও অস্বিকার কিংবা ভুলতে আমাদের সময় লাগে না। যাক আল্লাহ্পাক তার মকবুল বান্দার তালিকায় রাখলেই আমাদের জীবন ধন্য।
সরকারি ভান্ডার যদি আমাদের হাতে থাকতো, ইনসাফভিত্তিক সঠিক বণ্টন নীতি যদি মানুষকে দেখাতে পারতাম, তাহলে গতানুগতিক এ পচাঁগান্ধা নোংরা আর জুলুমের রাজনীতি থেকে অবশ্যই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিত এটা আমার বিশ্বাস। আর তা হলেই হয়তো আত্ম উপলব্ধি আর মানুষের চাহিদা পূরন সন্ভব হতো।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাহিরে থেকেও করোনাকালীন এ সংকটকালীন মূহুর্তে যে অবদান রেখেছে তা জাতী চিরদিন স্মরণ রাখবে। সারা দেশেই একযোগে কাজ হয়েছে।
সারাদেশের তথ্য দেয়া আমার পক্ষে সন্ভব নয়। এতটুকু বলতে পারবো এককোটির উপরে ব্যাক্তিদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।
আমি শুধু চাঁদপুর জেলায় করোনা মহামারির এ সংকটকালীন মূহুর্তে যে সেবাটুকু দেয়া হয়েছে তার কিছু তথ্য চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

করোনা যেহেতু বিধাতার পক্ষ থেকে মহামারি হিসাবে আমাদের উপর নাজিল হয়েছে সে হিসাবে তার কাছেই ক্ষমার ফরিয়াদ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যে যা ছিলঃ

★ বেশি বেশি ইস্তেগফার ও নফল রোজার আমল
★ মহামারি ও বালামুসিবত থেকে পরিত্রাণের জন্য আল্লাহর রাসুলের শিখানো বিশেষ দোয়ার আমল
★ পীরসাহেব চরমোনাইর পক্ষ থেকে জাতীয়ভাবে তওবার আহ্বান

★করোনা ভাইরাসের বিষয়ে জনসচেতনতা শৃষ্টির লক্ষে ১০০০০ (দশহাজার) লিফলেট বিতরন
★ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদি বিতরণ
★আঠারো হাজার দুইশত ষোল পরিবার তথা প্রায় নব্বই হাজার লোককে খাদ্য সহায়তা প্রদান ( যার মূল্যমান ৬৫,৬৩,৭৫০ টাকা)
★ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন
★ অসহায় গরীব কৃষকদের ধান কেটে মাড়াই করে দেয়া হয়েছে প্রায় চার একর জমির।
★ কোরবানির পশুর হাটসহ করোনাকালীন সময়ে মাস্ক বিতরন করা হয়েছে প্রায় ৪,০০০ পিছ
★ কোরবানি ঈদ পরবর্তি বর্জ্য অপসারণের ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষে পরিচ্ছন্ন অভিযান বাস্তবায়ন

★ করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত এ পর্যন্ত ১৪৮ জন মৃতদেহের কাফন-দাফন ও সৎকার কাজে সহযোগীতা করা।

★জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানিতে রাস্তা ঘাট, ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ায় মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে সাঁকো ও রাস্তা নির্মাণ ও মেরামতের ব্যাবস্থা করা।
★ বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা।
★ ধারাবাহিক মানবিক কাজে সহায়তার লক্ষে রক্তদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখা।

আমার এ লেখার মূল উদ্দেশ্যই হলো ইমান আকিদা মজবুত রাখার কিছু মৌলিক উপকরণ সন্নিবেশিত করা ।আমাদের সামনে যত কঠিন বিপদআপদই আসুকনা কেন আমরা যেন বস্তু নির্ভর না হয়ে, আল্লাহ্ নির্ভর থাকতে পারি।

আমরা মানুষঃ মানবতার কল্যানেই হোক আমাদের কাজ।
আমরা মুসলমানঃ ইসলামের পক্ষেই হোক আমাদের কাজ।
আমরা এ দেশের নাগরিকঃ দেশের কল্যানেই হোক আমাদের কাজ।

ইসলাম, দেশ, মানবতাবিরোধী সকল অপশক্তি রুখে দিতে হবে আজ।।

আল্লাহ্ আমাদের শক্তি ও সাহস দান কর, আমিন।।

লেখক: শেখ মোঃ জয়নাল আবদিন
সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা ও টিম প্রধান, দাফন-কাফনে নিয়োজিত সেচ্ছাসেবক টিম চাঁদপুর, জেলা।

Sharing is caring!