শাহ আরেফিন টিলার পাথর খেকোদের বিরুদ্ধে মামলা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ৪, ২০১৯
শাহ আরেফিন টিলার পাথর খেকোদের বিরুদ্ধে মামলা

লবীব আহমদ

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি:

শাহ আরেফিন টিলায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা অসিত কুমার পাল চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। যার নং- ২১ (২৪.৯.২০১৯ইং)।

মামলায় আসামীরা হলেন- কাঠালবাড়ি গ্রামের জিহাদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী, বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুছ শহীদের ছেলে রতন, জালিয়ারপাড় গ্রামের আব্দুল গণীর ছেলে ইসমাইল, চিকাডহর গ্রামের আইয়ূব আলীর ছেলে ইসমাইল, নারাইনপুর গ্রামের আব্দুল ছোবাহানের ছেলে আফছার, শাহ আরফিন টিলা এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে কালা, নারাইনপুর গ্রামের ছবর আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ও ছনবাড়ি গ্রামের মৃত মনোফর আলীর ছেলে মানিক। এছাড়াও ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খায়রুল বাশার জানান, আসামী ৮ জনের মধ্যে ৪ জন জামিনে আছেন। বাকীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। জামিনে থাকা আসামীরা হলেন, রতন, ইসমাইল, আব্দুর রহিম ও মানিক।
মামলা সূত্রে জানা যায়- অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করার ফলে শাহ আরফিন টিলা হুমকির মুখে পড়েছে। যেকোন সময় গর্ত ধসে পড়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে ও পাথরখেকোদের হাত থেকে শাহ আরফিন টিলা রক্ষার্থে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার অভিযান পরিচালনা করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টাস্কফোর্সের অভিযানে প্রায় এক কোটি টাকার মূল্যের ১৩টি বোমা মেশিন, ১৫টি সেলো মেশিন ও ১ হাজার ফুট পাইপ আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানে ডিজেল ভর্তি ড্রাম ও বোমামেশিনের সরঞ্জামাদি রাখা একটি গোডাউনও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

এরপর সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে ও স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পাথর উত্তোলনকারী ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে উপজেলা প্রশাসন।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী জানান, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো ট্রলারেন্স জারি করেছে। যারা পরিবেশ ধবংস করে তারা দেশ ও সমাজের শত্রু। ঝুকিপূর্ণভাবে পাথর উত্তোলনকারী এসব সমাজ শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Sharing is caring!