৯৯৯ ফোন করে বাড়তি টাকা ফেরত পেল ফেনী রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ১৪, ২০১৯
৯৯৯ ফোন করে বাড়তি টাকা ফেরত পেল ফেনী রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা

নুরুল হুদা মিয়াজী রাসেল

ফেনী শহর প্রতিনিধি:

জরুরী সেবা নাম্বার ৯৯৯ ফোন করে এসএসসি’র ফরম পূরণে নেয়া বাড়তি টাকা ফেরত পেল ফেনী শহরের রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানার উপস্থিতিতে ফরম ফিলআপে নেয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়া হয়।

রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে তিনগুণ টাকা বেশি নেওয়ায় ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করেন অভিভাবকরা। খবর পেয়ে ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা স্কুলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন। এসময় অভিভাবকদের সাথে কথা বলে ও টাকা নেয়ার রশিদ দেখে বাড়তি টাকা নেয়ার সত্যতা পাওয়া যায়।

তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেমকে বাড়তি টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন ইউএনও। তার নির্দেশে উপস্থিত অনেক অভিভাবকদের ফরম পূরণে নেয়া বাড়তি টাকা ফেরত দেয়া হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা জানান, ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এসএসসি ফরম পূরণ ফি বাবদ ৪ হাজার ৯শ টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে বিদ্যালয়টি। পরে বাড়তি টাকাগুলো ফেরত দেয়া হয়।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, এসএসসি বিজ্ঞান বিভাগে ফরম পূরণের ফি ১ হাজার ৯শ ৭০ টাকা। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ ও মানবিক বিভাগে ১ হাজার ৮শ ৫০ টাকা করে নির্ধারণ করে শিক্ষাবোর্ড। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ নির্দেশ না মেনে নিজেদের মনগড়া ৩ গুণ বাড়তি ফি আদায় করছে।

অভিভাবকরা আরও জানান, রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণ বাবদ ৫-৬ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছিল। ওই এলাকার অনেক গরীব মানুষের ৫-৬ হাজার টাকা দিয়ে সন্তহানের ফরম পূরণের সামর্থ্য নেই। আবার কেউ কেউ ধার দেনা করে বাড়তি টাকা দিয়ে পূরণ করে।

বাড়তি টাকা ফেরত দেবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেনী জেলা প্রশাসক জানান, এসব শিক্ষকদের জেলে দেয়া উচিত। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসির ফরম পূরণে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!