পাঁচগাছিয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০
পাঁচগাছিয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা

নুরুল হুদা মিয়াজী রাসেল

ফেনী সদর প্রতিনিধি :

ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ডমুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে মঙ্গলবার দুপুরে একজন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে (১২) ধর্ষন চেষ্টা ঘটনায় কর্মরত হেলথ্ প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) লুৎফুর রহমানের শাস্তি দাবী করেছে স্থানীয়রা। স্থানীয় বিক্ষুব্দ লোকজন ওই কমিউনিটি ক্লিনিক ঘেরাও ও পরে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে একটি কক্ষে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি টিম ওই স্থানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনা সম্পর্কে তদন্তের জন্য একজন চিকিৎসা কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, গতকাল মঙ্গলবার ওই কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণির একজন ছাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় ৪র্থ শ্রেণির অপর একজন ছাত্রী ওই অসুস্থ ছাত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে যায়। ক্লিনিকের সিএইচসিপি অসুস্থ ছাত্রীকে দেখে কিছু ওষুধ ও ব্যবস্থাপত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে যাতে বলেন ও তার সঙ্গী ছাত্রীকে কথা আছে বলে কৌশলে ক্লিনিকে রেখে দেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে ক্লিনিকের মধ্যে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ওই ছাত্রী তখন শোরচিৎকার শুরু করেন। চিৎকার শুনে অসুস্থ ছাত্রীও চিৎকার করে আবার ক্লিনিকের দিকে ছুটে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ক্লিনিক ঘেরাও করে এবং ওই হেলথ প্রোভাইডারকে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করে আটক করে রাখেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা জানান, স্থানীয় পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এনামুল হক ক্লিনিকে ওই ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টা ও হেলথ প্রোভাইডারকে আটক করে রাখার বিষয়টি অবহিত করেন। তিনি পরে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন।
জানতে চাইলে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, ঘটনাটি জানার পরই একজন স্বাস্থ্য পরিদর্শকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া একজন চিকিৎসা কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

Sharing is caring!