বোরহানউদ্দিনে পুলিশ ও স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষ,আহত অর্ধশতাধিক

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ২০, ২০১৯
বোরহানউদ্দিনে পুলিশ ও স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষ,আহত অর্ধশতাধিক

ভোলা প্রতিনিধি:

আল্লাহ ও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীর ফাঁসির দাবিতে বোরহানউদ্দিনে বিক্ষোভ সমাবেশ এর ডাক দিয়েছে স্থানীয় আলেম ওলামা সহ স্থানীয় মুসল্লিগণ।
অধ্য রবিবার বেলা ১১টায় সমাবেশ হওয়ার কথা হলেও সকাল ৯.৩০মিনিট এর দিকে বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হয় হয় শত শত মুসলিম তাওহীদি জনতা।
এসময় ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত পুলিশ ডিআইজি জনাব মোঃ এহসান সাহেব সহ প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত হন।
এসময় তারা তৌহিদী জনতা কে লক্ষ্য করে বলেন, আপনার যেই নবী আমাদেরও একই নবী। সুতরাং আপনাদের যেই কষ্ট আমাদেরও একই কষ্ট। আমরাও তার ফাঁসি চাই।তবে সঠিক অপরাধী যে তাকেই শাস্তি দেওয়া হবে।এটাই আইন।আমরা এর তদাতরি চালাচ্ছি। আপনারা একটু শান্ত থাকুন আমরা সব তথ্যই গ্রহণ করতেছি।
জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন,এই ছেলের আইডি হ্যাক এর সাথে জড়িত এমন তিন জনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করে ভোলা থানায় আনা হয়েছে। এবং এই আইডী কে হ্যাক করেছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমেরিকার তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।অতি শিঘ্রই এর সঠিক অপরাধী খুঁজে বের করা হবে।তাই আপনারা উৎশৃংখলা সৃষ্টি করবেন না।
এসময় মুসল্লি গণ ক্ষোভ প্রকাশ করে মিছিল দিতে থাকে। বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে থেকে হাজার হাজার মুসল্লি গণ মিছিল নিয়ে বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হন। তখন মুসল্লি গণ পুলিশের কথা না মেনে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এতে পুলিশ ও স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।মুসল্লিগণ ইট ও লাঠি নিক্ষেপ করে পুলিশকে টার্গেট করে।এতে পুলিশ গুলি চালালে প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি/ছাত্র আহত হয়।অনেকের অবস্থা খুবই আশংকাজনক। তবে মৃত্যুর ব্যাপারে এখনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায় নি।

Sharing is caring!