August 14, 2020, 7:40 am

বন্যা কবলিত এলাকায় দুর্ভোগ চরমে: চরমোনাই পীরের প্রতিক্রিয়া

  • আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক

শ্রাবণের বর্ষা জেঁকে বসেছে বাংলাদেশে। দেশজুড়ে প্রায় প্রতিদিনের মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসছে পাহাড়ি ঢল। উত্তরের জেলাগুলো বন্যাকবলিত হবার পর বানের পানি এখন দেশের মধ্য অঞ্চলকে সয়লাব করে দিচ্ছে।

বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বানভাসী মানুষের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানেই কোনো ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অসহায় মানুষেরা।

এ অবস্থায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে উন্নয়ন সংস্থাগুলো বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি যৌথ জরিপ করেছে। গত শনিবার প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে মৌসুমি বন্যার প্রভাব’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ২১ জেলার ৭৫ লাখ ৩০ হাজার মানুষ চলতি বন্যার কবলে পড়তে পারে। পুরোপুরি বাস্তুচ্যুত হতে পারে প্রায় তিন হাজার মানুষ।

দেশের কোনো এলাকার মানুষ কী পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তার একটি ধারণাও দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে রাজধানী ঢাকার মানুষ। এই শহরের ১৬ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ বন্যার কবলে পড়তে পারে। এরপরই রয়েছে বগুড়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলা। এসব জেলায় তিন লাখের ওপরে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

‘সরকারের কাছে বন্যাদুর্গতরা চরম উপেক্ষিত’

এদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় নাকাল সরকারের কাছে এখন বন্যাদুর্গতরা চরম উপেক্ষিত। ফলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তিনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় একেবারে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। মন্ত্রণালয়সহ স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা এখনও নিতান্তই অপ্রতুল ও প্রচারসর্বস্ব।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর

ফেসবুক পেইজ