August 7, 2020, 6:01 pm

আবরারের পরিবারের পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

তানিম ইবনে তাহের

স্টাপ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালেয়ে (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের তৃতীয় জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জানাজা শেষে রায়ডাঙ্গা পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় আবরারের জানাজায় শরিক হয়ে পরিবারের স্বজনদের শান্তনা প্রদান এবং হত্যার বিচারের দাবি জানান ইসলামী আন্দোলনের কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আহাম্মাদ আলী ও সেক্রেটারী আলহাজ্ব শেখ এনামুল হক।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে শহরের পিটিআই রোডের বাসার সামনে আবরারের দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে স্বজন ও প্রতিবেশীসহ এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ নেয়া হয় গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে।
এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আবরারকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের বাসার সামনে পৌঁছায়।
এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তার বাবা-মাসহ আত্মীয়স্বজন। আবরারের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ।
রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সোমবার ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।
আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর

ফেসবুক পেইজ