১০কোটি মানুষ গৃহবন্দী ইউরোপে !

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মার্চ ১৫, ২০২০
১০কোটি মানুষ গৃহবন্দী ইউরোপে !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইতালির পর স্পেনও পুরো দেশকে কোয়ারেন্টাইন করায় ইউরোপে এখন ১০কোটি মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। আগামী ৪৮ ঘন্টায় দেশটিতে বিদেশগমণ সহ ভ্রমণেও আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আসছে।

বিশ্বব্যাপী ইতিমধ্যেই ১ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৫,৮০০ জন। গত একদিনেই মারা গেছেন ৪৪০জনেরও বেশি।

ইউরোপে ইতালির পর স্পেনেই সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্পেনের সরকার ঘোষণা করেছে, খাদ্য ও ওষুধ কেনা এবং চিকিৎসা ও জরুরি কাজ ছাড়া আগামী ১৫ দিন সব মানুষকে নিজ ঘরেই অবস্থান করতে হবে। ইতিমধ্যেই দেশটিতে ৬,২৫১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১৯৩ জন।

আর ইতালিতে ইতিমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ১১৫ জন। আর মারা গেছেন ১৪,৪১ জন।

ফ্রান্সে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। দেশটিতেও ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল এবং বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বিমান, ট্রেন এবং বাস চলাচলও রবিবার থেকে কমিয়ে আনা হবে।

অস্ট্রিয়ার সরকার বলেছে, আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই জনগণের চলাচলের স্বাধীনতা সীমিত করে আনা হবে। পাশপাশি কম প্রয়োজনীয় দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, বার, খেলার মাঠ এবং ক্রীড়া ভেন্যুগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। ৮৮ লাখ মানুষের দেশটিতে ৮০০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, ইউক্রেন এবং রাশিয়া থেকে কাউকে সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও শনিবার থেকে গ্রেট ব্রিটেন এবং আয়াল্যান্ড থেকে তাদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এর আগে ইতালি সহ আরো বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে আমেরিকা।

যুক্তরাজ্যও রবিবার থেকে খুব জরুরি দরকার ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে না যেতে পরামর্শ দিচ্ছে।

এদিকে ইরান জানিয়েছে গত ২৪ ঘন্টায় তাদের দেশে ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা একদিনে ইরানের সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। ইরানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃত্যু হয়েছে ৭২৪ জনের। চীন ও ইতালির পর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনাআক্রান্ত ইরান।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Sharing is caring!