সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ত্রান বিতরণের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত এপ্রিল ১২, ২০২০
সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ত্রান বিতরণের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

আওয়ার বাংলাদেশ: করোনার প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে স্বল্পমূল্যে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে দুর্নীতি ও আত্মসাতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ত্রান বিতরণ করারা দাবি জানিয়েছে দলটি।

সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ হাফেজ ইউনুস আহমেদ রোববার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, দেশের অন্তত ২ কোটি মানুষের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের ওপর অর্পিত, তাদের কারও কারও অসততা ও চাল আত্মসাতের ঘটনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকার শুরুতেই ঘোষণা করেছিল চাল বিক্রির কর্মসূচিতে কোনো দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। কিন্তু ইতোমধ্যেই দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাল আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। দেশের ১৮টি জেলায় চাল আত্মসাতের অভিযোগে সরকারদলীয় বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী গ্রেফতার হয়েছে। গত চার দিনে উদ্ধার করা হয়েছে আত্মসাতের ৯৫ হাজার কেজি চাল। এটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রকৃত ঘটনার একটি খণ্ড চিত্র মাত্র।

‘প্রকৃতপক্ষে হাজার হাজার কেজি চাল আত্মসাৎ করা হচ্ছে। করোনায় সংক্রমণে মানবিক বিপর্যয়ের দিনগুলোতে বেশকিছু জনপ্রতিনিধি ও তাদের সহযোগীরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। মহাদুর্যোগের এ পরিস্থিতিতে দুর্নীতির ঘটনা নিতান্তই দুঃখজনক। শুরুতেই চাল বিতরণের দায়িত্ব প্রাপ্তরা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। জাতির এই মহাদুর্যোগকালে যারা জনগণের মুখের খাবার কেড়ে নিচ্ছে তারা মানবতার শত্রু। তাদের ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ত্রাণের চাল বিতরণে দুর্নীতি, অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও আত্মসাতের ঘটনার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে আমরা মনে করি।

অধ্যক্ষ হাফেজ ইউনুস আহমদ বলেন, জাতির এ দুর্দিনে সেনাবাহিনী মাঠে ময়দানে কাজ করছে। সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা রয়েছে। ত্রাণের চাল সাধারণ মানুষের নিকট পৌঁছানো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চাল বিতরণ কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

Sharing is caring!