সাবেক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
সাবেক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বৃদ্ধের দ্বারা পাঁচ বছরের কন্যা শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক সেনা সদস্য তাজুল ইসলামকে (৫৫) খুঁজছে পুলিশ।

রবিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোহাগপুর এলাকার পশ্চিমপাড়া তাজুল ইসলামের বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে। এই বিষয়ে ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটির মা বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় ধর্ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে। সে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বলেও জানা গেছে।

ধর্ষণের শিকার শিশুটির মা জানান, সকালে তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলেকে দেখার জন্য তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া যান। দুপুরে বাড়িতে ফিরে তিনি তার মেয়েকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে গোসল করানোর জন্য নিয়ে গেলে সেখানে তিনি তার মেয়ের কাছে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা জানতে চান।

এসময় তার মেয়ে তাকে জানান পাশের বাড়ির দাদা তাজুল ইসলাম তাকে ১০ টাকা দিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যান। এসময় তার বাড়িতে তাজুল ইসলামের বউ বাচ্চা কেউ ছিলনা। পরে তাজুল ইসলাম ঘরের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক বাচ্চাটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এ সময় বাচ্চাটি চিৎকার-চেঁচামেচি করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি তার মেয়েটিকে উদ্ধার করে আশুগঞ্জ থানায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য তাজুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণের মামলা করেন। পরে পুলিশ ধর্ষণের শিকার হওয়া বাচ্চাটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়।

বাচ্চা শিশুটির মা আরো জানান, তাজুল ইসলাম ইতোপূর্বে আরো বেশ কয়েকটি বাচ্চা মেয়ের সাথে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। মান ইজ্জত এর কথা চিন্তা করে কেউ মুখ খুলে এই কথা বলছে না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করি পাশাপাশি আমার পরিবারের নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানাই।

এই ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ রহমান জানান মেয়েটিকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির মা বাদী হয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য তাজুল ইসলামকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামি তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Sharing is caring!