শ্রমিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা জন্য প্রণোদনার দাবি: ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত জুন ৬, ২০২০
শ্রমিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষা জন্য প্রণোদনার দাবি: ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন
  • তানিম ইবনে তাহের

করোনা সংকটে কৃষি উৎপাদন, প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক-ভাসমান শ্রমিকদের জীবন জীবিকা নির্বাহ ও সুরক্ষার জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের ৩ শত কোটি টাকাসহ বিভিন্ন সেক্টর ভিত্তিক ২০ হাজার কোটি টাকা বিশেষ প্রণোদনা প্রদান এবং প্রকৃত শ্রমিকদেরকে সহযোগিতার জন্য “লেবার কার্ড” প্রদানসহ বিভিন্ন দাবী জানিয়েছে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন।

দাবি আদায় না হলে আগামী ৯ জুন প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদানসহ ৪দফা কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

কৃষকের ক্ষতিপূরণ প্রদানের লক্ষ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা, প্রকৃত শ্রমিকদেরকে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর মাধ্যমে যাচাই বাঁছাই শেষে তাদের ডাটাবেজ তৈরী করে “লেবার কার্ড” প্রদান করে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা, কর্মহীন শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সঙ্কট উত্তরণে জামানত ছাড়া আইডি কার্ড ও ব্যাক্তিগত গ্যারন্টি নিয়ে ২ বছরের মধ্যে পরিশোধের জন্য সুদবিহীন সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা ঋণ প্রদানের দাবী জানানো হয়।

করোনাকালীন বাজেটে সকল শ্রেণি ও পেশার শ্রমিকের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে ২০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি ও প্রণোদনা অর্ন্তভ‚ক্তির দাবিতে আজ শনিবার দুপুরে পুরানা পল্টনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত দাবী জানিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ূম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মু. হারুন অর রশিদ, সেক্রেটারী জেনারেল হাফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারী জেনারেল শহিদুল ইসলাম কবির, এবিএম শেহাব উদ্দিন শেহাব, এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক আব্দুল করীম, ওবায়েদ বিন মোস্তফা ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মুফতী মুহিববুল্লাহ কাজেমী।

প্রবাসে ইন্তেকাল করা রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মধ্যে যারা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও লোনে জর্জরিত তাদের পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান, করোনার কারণে কর্মহীন হওয়া প্রবাসীদেরকে সহজ শর্তে লোন দেয়া, পাসপোটর্, ভিসা জটিলতা দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও দেশে আটকে পরা প্রবাসীদের কর্মক্ষেত্রে যোগদানের ব্যবস্থা করতে দাবী জানানো হয়।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করা মানুষের কাফন, জানাজা, দাফনসহ সৎকারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যে সকল সেচ্ছাসেবীরা অংশ নিয়েছেন তাদেরকে ‘করোনা যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দান, এমন করোনা যোদ্ধাদের মধ্যে ইন্তেকাল কারীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও এমন সেচ্ছাসেবীদের জন্য ১০ লাখ টাকা জীবনবীমা সুবিধা দেয়ার জন্য সংবাদ সম্মেলনে দাবী জানানো হয়।

উপরোক্ত দাবিসমূহ আদায়ে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত কর্মসূচি সমূহ : ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ, ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলা জেলায় কৃষক-শ্রমিক সমাবেশ ও ডিসেম্বর এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষখ শ্রমিক জাতীয় মহাসমাবেশ।

Sharing is caring!