শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী বায়তুশ শরফের পীর ঘোষিত

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ২৭, ২০২০
শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী বায়তুশ শরফের পীর ঘোষিত

অালমগীর ইসলামাবাদী
(চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি):
শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী হাফিযাহুল্লাহ বায়তুশ শরফের রাহবরে তরীকত ও পীর সাহেব হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন৷

গত ২৩ মে ’২০ বাদ আসর বায়তুশ শরফ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বহু গুণে গুণান্বিত ব্যক্তিত্ব তিনি, জ্ঞানী, উচ্চশিক্ষিত, উন্নত চিন্তাধারার, উদারনৈতিক, উম্মাহর ঐক্যপ্রয়াসী একজন মুখলিস দায়ী। এককথায় তাঁর মাঝে মরহুম পিতা, মহান সংস্কারক ও পীর সাহেব শাহ আবদুল জব্বার (রহ.)-এর যাবতীয় গুণ-বৈশিষ্ট্যের প্রতিচ্ছায়া দেখতে পাওয়া যায়।

আমার কাছে তাঁর যে দুটি গুণ অত্যন্ত চিত্তাকর্ষীয়, মুগ্ধকর এবং বিমোহিতকর মনে হয় তা হচ্ছে, তাঁর প্রচণ্ড জ্ঞানপিপাসা এবং নিরাহংকার ব্যক্তিত্ব। তিনি আলিয়া ধারার হলেও একই সঙ্গে দেওবন্দি চিন্তাধারা লালন করেন, সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.)-এর শিষ্যত্ব লাভে সৌভাগ্যবান তিনি। তাঁর আন্তরিকতায় বায়তুশ শরফ থেকে সাইয়েদুত তায়েফা হযরত হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী (রহ.)-এর প্রায় সকল কিতাব অনূদিত ও প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি তাসাওউফের একজন তাত্বিক ব্যক্তিত্ব, হানাফী মাযহাব বা মাযহাবপ্রথার একান্ত সমর্থক। তাসাওউফ ও হানাফী ফিকহের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাবে তিনি বেশ অনেকগুলো কিতাব নিজে রচনা করেছেন, অনুবাদ করেছেন এবং সম্পাদনা করে চেপেছেন। আমি তাঁর জ্ঞানপিপাসা, শিক্ষানুরাগে বরাবরই মুগ্ধ হই। আজ বায়তুশ শরফের মতো সমাজ সংস্কারবাদী প্রতিষ্ঠানে তাঁর মতো গুণী-জ্ঞানী ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বের অর্থ হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটি সত্যিকার অর্থেই একজন যোগ্যতম ব্যক্তি পেয়েছে।

মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে তাঁর মকবুলিয়ত কামনা করি। আশা করি, তিনিও তাঁর পিতার মতোই উম্মাহর ঐক্যকামী কর্মপ্রয়াসের মাধ্যমে উম্মাহর কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ।

Sharing is caring!