মুজিববর্ষ উদ্‌যাপনে ২০০ কোটি টাকার বাজেট

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
মুজিববর্ষ উদ্‌যাপনে ২০০ কোটি টাকার বাজেট

এ এম আতাউল্লাহ বাঙালি

ঢাকা যাত্রাবাড়ী প্রতিনিধি:

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে ‘মুজিববর্ষ’ উদ্‌যাপন করা হবে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত থাকবে নগরসজ্জা থেকে শুরু করে স্মারকগ্রন্থ, কর্মশালা-সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন।

ওই সব আয়োজনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বছরজুড়ে চলবে নানা অনুষ্ঠান। সমাপনী অনুষ্ঠানে আসবেন বহির্বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অতিথিরা। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ সংগ্রামে যাঁরা বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন, এমন ব্যক্তিদের আজীবন বন্ধু হিসেবে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মাননা। এসবের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, এর মধ্যে ১০০ কোটি টাকা দিবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাকি অর্থ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে খরচ করা হবে।

এ বিষয়ে মুজিববর্ষ উদ্‌যাপনের প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী আওয়ারবাংলাদেশকে বলেন, মুজিববর্ষ উদ্যাপনের জন্য নানা প্রস্তুতি চলছে। দেশি-বিদেশি ‌অতিথিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বছরব্যাপী থাকবে অনুষ্ঠান। এমন ব্যতিক্রম ধর্মী আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্ববাসী নতুন করে একটি বার্তা পাবে।
জানা যায়, শহর সজ্জা, কর্মশালা-সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। এতে সম্মতি দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন, শহর সজ্জা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন; স্মারকগ্রন্থ, কফি টেবিল, বইসহ বিভিন্ন প্রকাশনা, ভিডিও ডকুমেন্টারি, বিভিন্ন ধরনের স্মারক তৈরি করবে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে থাকবে বিশেষ আকর্ষণ। আসবেন গুরুত্বপূর্ণ দেশি-বিদেশি অতিথি। মুক্তিযুদ্ধ তথা বাংলাদেশ সৃষ্টিতে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বছরজুড়েই যেন নানা আয়োজন থাকে সে জন্য কর্মপরিকল্পনা মোতাবেক বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা দপ্তর নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের দায়িত্ব পালন করবে। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মিশনগুলোও করবে নানা আয়োজন।

২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস জাঁকজমকভাবে উদ্‌যাপন করা হবে।

Sharing is caring!