মাওয়া শিমুলিয়াঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়

আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক ২৪
প্রকাশিত এপ্রিল ১২, ২০২১
মাওয়া শিমুলিয়াঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড়

 

মোঃ শফিকুল ইসলাম ভূঞা
জেলা প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ

আগামী ১৪ তারিখ বুুুধবার লকডাউনকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভীড়। সোমবার ভোর থেকে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেশি থাকলেও সকাল থেকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে লকডাউনে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বাড়তে থাকে ।

এদিকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে পদ্মা পাড়ি দিতে ফেরিগুলোতে দেখা গেছে মানুষের ভীড়। এছাড়াও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক যাত্রী ট্রলারযোগে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন।

বরিশালের যাত্রী সোলেমান বেপারী জানান, এক সপ্তাহের জন্য কঠিন লকডাউন ঘোষণা করছে সরকার। ঢাকা শহরে থেকে আয় তো করতেই পারবো না, ব্যয় করতে হবে। কোথায় থেকে ব্যয় করব। বাড়িতে গিয়ে না খেয়ে থাকলেও ভালো তাই পরিবারের সকলকে নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছি।

অপরদিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ছনবাড়ি ফ্লাইওভারের নিচে অসহনীয় যানজটে জনদুর্ভোগ মারাত্মক অবস্থায় পৌঁছেছে। রোববার থেকে অসহনীয় জ্যাম শুরু হয়েছে। একইভাবে চলছে।

 

সিএনজিচালক তরিকুল বলেন, উমপাড়া থেকে ৮০ টাকা ভাড়ায় যাত্রী নিয়েছেন আরধীপাড়া টেক্কামার্কেট যাবেন বলে। এখানে এসে আটকে আছেন দুই ঘন্টা ধরে। যাত্রী ৩০ টাকা ভাড়া দিয়ে নেমে গেছেন। প্রতিদিন আমার মত অনেক অটোচালককেই এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। এই জ্যামের কারনে আয় নেমে এসেছে অর্ধেকে। কিন্তু প্রতিটি অটোর জন্য মালিককে দিতে হয় দিন প্রতি তিন শ’ টাকা। জমা দিয়ে নিজের হাত খরচের পর পরিবারের জন্য তেমন কিছু থাকে না।

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, মাওয়া ঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ। কোনোভাবেই চাপ সামলানো যাচ্ছে না। কোনো স্বাস্থ্যবিধি তারা মানছে না। ফেরিতে গাদাগাদি করেই পারাপার হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহ-উপব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে ১৪টি ফেরি দিয়ে এই রুটে চলছে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার। সকাল থেকে ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে চার শতাধিক যাত্রীবাহী ছোট প্রাইভেট কার ও কয়েক শতাধিক পণ্যবাহী যানবাহন।

Sharing is caring!