বাংলা ভাষার অজ্ঞাতমূল শব্দ: মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম গ্রন্থকার

আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক ২৪
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২১
বাংলা ভাষার অজ্ঞাতমূল শব্দ: মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম গ্রন্থকার

বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু এমন অনেক শব্দ রয়েছে যার মূল (কোথা থেকে আগত) নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। পণ্ডিতগণ এই শব্দগুলোকে অজ্ঞাতমূল শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যেমন :

গোরাপ—এক জাতীয় নৌকা
জাংড়া—অশ্বারোহী সওয়ার
জাঙ্গি—কালো রঙের হরীতকী
জুম—পাহাড়ে চাষের পদ্ধতি
টুপা—জলের পাত্র
ডেকুরা—কুঁড়েঘর
দাঁড়িকা—ছোটো মাছবিশেষ, দাড়কিনা
নেড়ড়ি গেড়ড়ি—বোচকাবুচকি, লটবহর
বকৌলি—বন্যা
বসিধ—দূত, বর্তাবাহক
মসিন—অত্যাচার
মুরি—নালা, নর্দমা
মেঠে—ধাতুনির্মিত বালা, কড়া
লদপদ—লুটানো, শুয়েপড়া
সুন্দা—মসলাবিশেষ
সলুপা—শাকবিশেষ
হটকা—দীর্ঘ, লম্বা
হ্যাজাক—কেরোসিন গ্যাসের উজ্জ্বল আলোর বাতিবিশেষ।

অনেকে মনে করেন, অজ্ঞাতমূল শব্দ দেশীয় উৎস থেকে আগত। এমন বেশকিছু শব্দ বাংলা একাডেমি ব্যাবহারিক বাংলা অভিধানে অজ্ঞাতমূল হিসেবে দেখানো হলেও আধুনিক বাংলা অভিধানে দেশি শব্দ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন :

উশো, খুনসুটি, গরদ, গরান, ছিপি, ঢেউ, দোমলা দোরমা, ধানাইপানাই, ভাগাড়, হড়পা, হাবিজাবি, হেঁজিপেঁজি ইত্যাদি।

Sharing is caring!