ফেনীতে চরমোনাই তরিকার তিনদিন ব্যাপী মাহফিল: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩, ২০১৯
ফেনীতে চরমোনাই তরিকার তিনদিন ব্যাপী মাহফিল: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর ফেনী মহিপাল সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের নমুনায় তিন দিন ব্যাপী ওয়াজ মাহফিল। এই মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- আমীরুল মুজাহিদীন, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে আগমন করবেন নায়েবে আমীরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই। এছাড়াও বাংলাদেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামদের মাঝে উপস্থিত থাকবেন শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল ইসলাম আদীব সাহেব, মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা আবদুল আউয়াল, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালী উল্লাহ, আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আল মোবারক, মুফতি হাবীবুর রহমান মিছবাহ, মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ আজাদী, প্রমূখ।

ফেনীতে তিন দিনব্যাপী মাহফিল আরো হলেও বৃহৎ আয়োজন ও পরিসরে এটাই প্রথম। মাহফিল বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং তার সহযোগী সংগঠনগুলোর জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

মাহফিল সফল করতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্যান্ডেলের কাজ প্রায় সমাপ্ত। মাহফিলে আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে তৈরি করা হয়েছে বেশ কিছু টয়লেট ও অজুখানা। রয়েছে পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থা। মাহফিলের প্রচারণায় ইতোমধ্যে গোটা ফেনী শহরে ভিন্ন এক আমেজ তৈরি হয়েছে। পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার, বিলবোর্ডসহ বিভিন্ন প্রচারণা চোখে পড়ার মতো। তৃণমূলেও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। মাহফিলে আসার জন্য কাফেলা তৈরি, গাড়ি রিজার্ভ, গ্রুপ ভিত্তিক দাওয়াত ও মাইকিং সহ চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। চরমোনাই পীর সাহেব এবং তার পরিচালিত মিশনগুলোর প্রতি এদেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস এবং ভক্তি-শ্রদ্ধা রয়েছে। তারা চরমোনাই পীর সাহেব হুজুরদেরকে এবং তাদের মিশনকে ভালোবাসে। যার জন্য চরমোনাইয়ের মুরিদ, মুজাহিদ এবং দলীয় পরিসরের বাইরেও সাধারণ মানুষের মাঝে এ মাহফিলকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। চরমোনাই তরিকার মাহফিলগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হলো- শ্রোতারা এসব মাহফিল থেকে অন্তরের খোরাক পায়। তাদের মাঝে আল্লাহ তাআলার ভয় এবং ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। চোখে পানি আসে। মানুষের আত্মার পরিশুদ্ধি হয়। মানুষ সঠিক পথের দিশা খুঁজে পায়। অন্যায়ের পথ থেকে ফিরে আসে। নিজের জীবনকে ইসলামী তরিকায় গঠন করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। ফেনীতে অনুষ্ঠিতব্য মাহফিল‌ও আশা করি এর ব্যতিক্রম হবে না। হিদায়াতের আলোকবর্তিকা হয়ে এই মাহফিল চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে ফেনীবাসীর নিকট।

Sharing is caring!