ফেনীতেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ২৭, ২০১৯
ফেনীতেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা

নুরুল হুদা মিয়াজী রাসেল

ফেনী শহর প্রতিনিধি:

ফেনীতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। একেক বাজারে একেক দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার ফেনী বড় বাজার, মুক্ত বাজার ও সুলতান মাহমুদ পৌর হকার্স মার্কেট ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজার তদারকি নিয়মিত না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা করছেন বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। সূত্র জানায়, পেঁয়াজের দাম বাড়ার পর ফেনীর বাজারে সবকটি পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। কোন কারণ ছাড়াই বাড়ানো হয় দাম। বাজারে চাহিদামতো শীতকালীন সবজির সরবরাহ থাকলেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু কেজি ৮০ টাকা আর পুরাতন আলু ২৬ থেকে ২৮টাকায় বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। এছাড়া লতি কেজিপ্রতি ৭০টাকা, ফুলকপি ৬০ টাকা, পাতাকপি ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, চড়া ৬০, মূলা ৪০ টাকা, ঝিঝিংঙ্গা ৫০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, খিরা ১শ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, গাঁজর ৮০ টাকা, প্রতি হালি কলা ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ টাকা, তরু ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, টমেটো ১শ টাকা, কাচামরিচ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মায়ানমারের পেঁয়াজ ছোট আকারের বিক্রি হচ্ছে ১শ ৯০ টাকা ও মিশরের পেঁয়াজ বড় আকারের ১শ ৭৫ টাকায়। রসুন ১শ ৩০ টাকা, আদা ১শ ৩০ টাকা, মটর ৩২ টাকা, মুগডাল ১শ ৩০, মশুর ডাল বড় আকারের ১শ ৫৫ টাকা ও ছোট আকারের ১শ ২০ টাকা, খেসারি ৭৫ টাকা, ধনিয়া ১শ ২০ টাকা, ভারতের এলসি ইরি মরিচ ২শ ৯০ টাকা, বাংলা মরিচ ২শ ৩০ টাকা, সয়াবিন ৯২ টাকা, আটা ২৮ আর চিনি ৫৮ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। বড় বাজারের হাজ্বী কালা মিয়া এন্ড সন্স এর ব্যবসায়ী মো: সেলিম জানান, পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে গেলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ে। ফেনী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সোহেল চাকমা আওয়ার বাংলাদেশ কে জানান, ‘নিয়মিত বাজার মনিটরিং চলছে। কোথাও অসঙ্গতির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

Sharing is caring!