প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিত করুন

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ১৮, ২০২০
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিত করুন

মুহাম্মদ আল আমিন (বিশেষ প্রতিনিধি): সারাদেশে নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশে বন্ধ আছে দেশের সব বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠানে। বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার জগতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য।

কিন্তু পরিতাপের বিষয়, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেক ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়েও নিরব থাকেন।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি সংগঠনের বিবৃতি অনুযায়ী, চলমান পরিস্থিতিতে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মার্চ-এপ্রিল মাসের নিয়মিত বেতন পরিশোধ করা হয় নাই বা আংশিক পরিশোধ করেছে।

ইউজিসির বর্ণনা অনুযায়ী, অলাভজনক হিসাবে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হলেও তাদের দাখিলকৃত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রমাণ করে প্রায় সবগুলো প্রতিষ্ঠানের সাময়িক সংকট মোকাবেলা করার মত আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে৷

অন্যদিকে এখানে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের, যারা অনেকেই বর্তমান পরিস্থিতির শিকার হলেও তাঁদের টিউশন ফি মওকুফের ব্যাপারেও কোন সিদ্ধান্ত হয় নাই।

আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, সম্মানিত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে গড়িমসি করা অপমানজনক। তাছাড়া সামনে ঈদ উপলক্ষে বেতন সম্পুর্ন পরিশোধ করা জরুরি৷

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ঢাকা এবং চট্রগ্রামে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৫ কোটি টাকা এবং এর বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলোর দেড় থেকে তিন কোটি টাকা বাধ্যতামূলক সংরক্ষিত তহবিলও রয়েছে৷

ঈদের আগেই সব বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনে এই তহবিল হতে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হোক৷

Sharing is caring!