নেতাকর্মী ও শাসকগোষ্ঠীর পকেট ভারী করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য: রিজভী

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত জুন ৩, ২০২০
নেতাকর্মী ও শাসকগোষ্ঠীর পকেট ভারী করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য: রিজভী
  • আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আবারো অভিযাগ করেছে, জনগণের ম্যান্ডেটবিহীন ব্যর্থ সরকার মানুষকে বাঁচানোর জন্য কোনো কাজ করেনি; শুধু নিজেদের নেতাকর্মী ও শাসকগোষ্ঠীর পকেট ভারী করা, ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড় করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

আজ (বুধবার) নয়াপল্টনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণের অনুষ্ঠানে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহল কবির এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, “একজন ব্যাংকের এমডিকে যারা পিস্তল দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয় তাদেরকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে বিদেশে পালিয়ে যেতে দেয়া হচ্ছে; শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধীদের নানাভাবে রেহাই দেয়া হচ্ছে। অপরদিকে সরকারের সমালোচনা করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিলে তাকে রাতের অন্ধকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে আসে। এরকম অরাজক পরিস্থিতি চলছে। এটা চলতে দেয়া যায় না।”

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “করোনার প্রকোপে সারাদেশে কর্মহীন মানুষের হাহাকার চলছে। আরেকদিকে সরকারের ত্রাণ লুটপাট চলছে। প্রধানমন্ত্রীর আড়াই হাজার টাকা থেকেও আত্মসাৎ করা হয়েছে। জনগণের সমর্থনহীন সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই জনগণের টাকা আত্মসাৎ করছে, ত্রাণ আত্মসাৎ করছে। সরকারি হাসপাতালে ২০ থেকে ৩০ শতাংশের বেশি রোগীর জায়গা দিতে পারছে না। ঢাকার বাইরে তো চিকিৎসা পাচ্ছে না। এর মধ্যে যদি কেউ করোনা ছাড়া হূদরোগ, শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয় তারা কোনো হাসপাতালে সিট পাচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে আগে করোনা টেস্ট করুন। করোনা টেস্ট করতে ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। অনেক জায়গায় চার দিনও লেগে যায়। তাই অনেক রোগী অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই মারা যাচ্ছেন। এই ব্যর্থ সরকার মানুষকে বাঁচানোর জন্য কোনো কাজ করেনি।”

বিএনপি’র এ নেতা বলেন, “আমাদেরকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। আমাদের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে, কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। তারপরও আমরা মানুষের দুঃসময়ে বসে নেই। আমাদের সাধ্যানুযায়ী অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।”

দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে জাসাসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জাকির হোসেন রোকনের পরিচালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাসাসের সহ-সভাপতি আহসান উল্লাহ চৌধুরী, শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, ডাক্তার আরিফ, জাহাঙ্গীর আলম রিপন, ফেরদৌস ফকির, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মাজহার আলী শিবা শানু, জাসাস নেতা খালেদ এনাম মুন্না, এনামুল হক জুয়েল, হারুন-অর-রশিদ, নবাব মাঝি, শরিফুল ইসলাম, মালেক রতন, ইব্রাহিম খলিলসহ জাসাসের নেতৃবৃন্দ।

Sharing is caring!