নতুন সিলে মেয়াদ বাড়ছে মেয়াদোত্তীর্ণ স্প্রাইট ও কোকাকোলার

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০
নতুন সিলে মেয়াদ বাড়ছে মেয়াদোত্তীর্ণ স্প্রাইট ও কোকাকোলার

হাটহাজারী প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌর এলাকার কোকাকোলা ও স্প্রাইটের ডিলার বিকাশ কান্তি নাথ। তিনি পৌর এলাকার ডাইমণ্ড টাচ সংলগ্ন এলাকায় একটি গুদাম নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। স্বাভাবিকভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য থাকলে তা খুচরা বিক্রেতা থেকে ফেরত নিয়ে কোম্পানিকে তার ফেরত দেওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী খুচরা বিক্রেতা থেকে ফেরত নিয়ে নেওয়া হাজার হাজার লিটার মেয়াদোত্তীর্ণ কোমল পানীয় গুদামে জমা রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু শীতের শেষে কোমল পানীয়র চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কু-বুদ্ধি মাথায় আসে তার। মাত্র ৪০ টাকা খরচ করে বাড়তি মেয়াদের নতুন তারিখযুক্ত দুটি সিল বানিয়ে নেন। দোকানের ম্যানেজার ও স্টাফদের সহযোগিতায় গোপনে নেইল পলিশ রিমোভার দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ বোতলের তারিখ মুছে নিমিষেই নতুন তারিখ বসিয়ে দেওয়া শুরু করেন। ভুয়া হলেও দেখতে অবিকল তারিখের এসব কোকাকোলা ও স্প্র্রাইট তিনি সরবরাহ করছেন গ্রাহক ও খুচরা দোকানদানদের। কিন্তু এই কর্মকাণ্ড বেশিদিন গোপন রাখতে পারেননি। গত (১৯ফেব্রুয়ারি) বুধবার রাতে ভুক্তভোগী এক গ্রাহক এ বিষয়ে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেন। পরে আজ (২০ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার বিকেলে বিকাশ চন্দ্রনাথের গুদামে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও। সেখান থেকে জব্দ করা হয় প্রায় আড়াই হাজার লিটারের কোকাকোলা ও স্প্রাইটের বোতল। ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, ‘গ্রাহকের অভিযোগ পেয়ে বিকাশ চন্দ্রনাথের গুদামে অভিযান পরিচালনা করি। মাত্র ৪০ টাকা দিয়ে তৈরি করা সিল দিয়ে তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ কোকাকোলা ও স্প্রাইটের বোতলে নতুন তারিখ লাগিয়েছেন। আমরা সিল, তারিখবিহীন ও সিল দিয়ে ভুয়া তারিখযুক্ত আড়াই হাজার লিটার পানীয় জব্দ করেছি। তিনি আরো বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ এসব পানীয় মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ জাল করে নতুন তারিখ লাগানো অপরাধ। অভিযানের সময় আমরা মূল মালিককে পাইনি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোকানের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে দোকান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।’ চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌর এলাকার কোকাকোলা ও স্প্রাইটের ডিলার বিকাশ কান্তি নাথ। তিনি পৌর এলাকার ডাইমণ্ড টাচ সংলগ্ন এলাকায় একটি গুদাম নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। স্বাভাবিকভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য থাকলে তা খুচরা বিক্রেতা থেকে ফেরত নিয়ে কোম্পানিকে তার ফেরত দেওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী খুচরা বিক্রেতা থেকে ফেরত নিয়ে নেওয়া হাজার হাজার লিটার মেয়াদোত্তীর্ণ কোমল পানীয় গুদামে জমা রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু শীতের শেষে কোমল পানীয়র চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কু-বুদ্ধি মাথায় আসে তার। মাত্র ৪০ টাকা খরচ করে বাড়তি মেয়াদের নতুন তারিখযুক্ত দুটি সিল বানিয়ে নেন। দোকানের ম্যানেজার ও স্টাফদের সহযোগিতায় গোপনে নেইল পলিশ রিমোভার দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ বোতলের তারিখ মুছে নিমিষেই নতুন তারিখ বসিয়ে দেওয়া শুরু করেন। ভুয়া হলেও দেখতে অবিকল তারিখের এসব কোকাকোলা ও স্প্র্রাইট তিনি সরবরাহ করছেন গ্রাহক ও খুচরা দোকানদানদের। কিন্তু এই কর্মকাণ্ড বেশিদিন গোপন রাখতে পারেননি। বুধবার রাতে ভুক্তভোগী এক গ্রাহক এ বিষয়ে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেন। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিকাশ চন্দ্রনাথের গুদামে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও। সেখান থেকে জব্দ করা হয় প্রায় আড়াই হাজার লিটারের কোকাকোলা ও স্প্রাইটের বোতল। ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, ‘গ্রাহকের অভিযোগ পেয়ে বিকাশ চন্দ্রনাথের গুদামে অভিযান পরিচালনা করি। মাত্র ৪০ টাকা দিয়ে তৈরি করা সিল দিয়ে তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ কোকাকোলা ও স্প্রাইটের বোতলে নতুন তারিখ লাগিয়েছেন। আমরা সিল, তারিখবিহীন ও সিল দিয়ে ভুয়া তারিখযুক্ত আড়াই হাজার লিটার পানীয় জব্দ করেছি। তিনি আরো বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ এসব পানীয় মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ জাল করে নতুন তারিখ লাগানো অপরাধ। অভিযানের সময় আমরা মূল মালিককে পাইনি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোকানের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে দোকান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।’

Sharing is caring!