দৌলতখানে বিপুল সংখ্যক জাটকা ইলিশসহ ২১ হাজার মিটার জাল জব্দ

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ৫, ২০২০
দৌলতখানে বিপুল সংখ্যক জাটকা ইলিশসহ ২১ হাজার মিটার জাল জব্দ

মুহাঃ মনিরুল ইসলাম মুহিন (বিশেষ প্রতিনিধি): ভোলার দৌলতখানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হাসনাইনের নেতৃত্বে জাটকা বিরোধী অভিযানে বিপুল সংখ্যক ইলিশের বাচ্চা (জাটকা) সহ ২১ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হাসনাইন এর নেতৃত্বে কোস্টগার্ড এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় মদনপুর ও হাজীপুর চরের মাঝে অবস্থিত বিভিন্ন ডুবোচরে অভিযান চালিয়ে কোটি কোটি ইলিশের বাচ্চা (২ মন জাটকা ও ৫ মন অন্যান্য প্রজাতির পোনা), ১ টি পাই জাল (১ কিমি), ৩ টি মশারি জাল (২০ হাজার মিটার) সহ দুইটি ট্রলার জব্দ করা হয়। এসময় কাউকে আটক করা যায়নি।

সরেজমিনে মেঘনার ডুবোচরে গিয়ে দেখা যায়, প্রথমে দূরত্ব বজায় রেখে পুরো চরকে হাজার হাজার খুটি দিয়ে ঘেরাও করা হয়। এরপর এসব খুটির সাথে ২-৩ হাজার হাত লম্বা মশারি জাল দিয়ে ফাঁদ পাতা হয় পুরো চরকে ঘিরে। নদীতে জোয়ার আসালে জালের উপর দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আবদ্ধ স্থানে ঢুকে পরে। যখন ভাটার টানে নদীর পানি কমতে শুরু করে তখন মাছগুলো আবদ্ধ স্থানে মশারি জালের ভেতর আটকে পরে। জালের ফাঁদ ছোট হাওয়ায় ছোট-বড় কোন মাছই রক্ষা পায় না এ জাল থেকে। জাল থেকে মাছ ছাড়িয়ে আনতে না পারলে তা পঁচে জাল থেকে ছুটে যায়। এভাবে নষ্ট হয় কোটি কোটি মাছের পোনা।

এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হাসনাইন জানান, জাটকারক্ষায় ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম রয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা নদীতে মশারি সহ অন্যান্য জালের মাধ্যমে জাটকা ও ছোট মাছ নিধন করে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় ও গরীরদের মাঝে বিতরণ করা হয়, জব্দকৃত জাল ধ্বংস ও পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং ট্রলার ২টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীতেন্দ্র কুমার নাথ এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।কারো বিরুদ্ধে জাটকানিধনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সে যে কেউই হোক না কেনোতার বিরুদ্ধে আমি কঠিন ব্যবস্থা নেবো। তিনি জাটকা সহ অন্যান্য মাছ সংরক্ষনে সাংবাদিক সহ সাধারণ জেলেদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Sharing is caring!