দেশের প্রতিটি মসজিদের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সরকারের অনুদান

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ২০, ২০২০
দেশের প্রতিটি মসজিদের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সরকারের অনুদান
  • নিজস্ব প্রতিবেদক   
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশের ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩টি মসজিদের জন্য সরকার ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতা দূরীকরণে প্রত্যেক মসজিদের অনুকূলে ৫ হাজার টাকা করে এই অনুদান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন করেছেন বলে বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী বিরাজমান করোনাভাইরাস (কভিড -১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণসহ নানাবিধ কারণে দেশের মসজিদগুলোতে মুসল্লিগণ স্বাভাবিকভাবে ইবাদত করতে পারছে না। এতে দানসহ অন্যান্য সাহায্য কমে যাওয়ায় মসজিদের আয় হাস পেয়েছে। ফলে মসজিদের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মসজিদসমূহের আর্থিক অসচ্ছলতা দূরীকরণে প্রত্যেক মসজিদের অনুকূলে ৫০০০ টাকা হারে অনুদান প্রদানের সানুগ্রহ অনুমোদন প্রদান করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত তালিকায় বর্ণিত দেশের সকল জেলায় অবস্থিত সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভা এলাকা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে অবস্থিত মোটট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩ টি মসজিদের প্রত্যেকটির অনুকুলে ৫ হাজার  টাকা হারে সর্বমোট ১২২ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ/জেলা কার্যালয়ের পরিচালক / উপ – পরিচালকের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হল।

সংশ্লিষ্ট জেলাপ্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পরিচালক / উপ – পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে অনুদানের অর্থ / চেক বিতরণ করতে হবে। তালিকাভুক্ত মসজিদের অনুকুলে যথাযথ প্রাপ্তিস্বীকার গ্রহণপূর্বক অনুদানের অর্থ / চেক বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রাপ্তি স্বীকার পত্র সহ অন্যান্য কাগজপত্র নিরীক্ষার জন্য যথাযথভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগ / জেলা কার্যালয়সমূহে সংরক্ষণ করতে হবে। অনুমোদিত তালিকায় কোন প্রকৃত মসজিদের তথ্য বাদ পড়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রত্যয়নসহ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতঃ প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরাবর প্রেরণ করতে হবে ।

বর্ণিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে অনুদানের অর্থ বিতরণ করে ১৫ জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন প্রতিবেদন প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

Sharing is caring!