বাবার সম্পদ সৎ ভাইয়ের দখলে, দুই এতিমের রাত কাটছে পার্কে

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত জুলাই ৩, ২০২০
বাবার সম্পদ সৎ ভাইয়ের দখলে, দুই এতিমের রাত কাটছে পার্কে
  • আলমগীর ইসলামাবাদী
  • চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

বাবা দুইটি বিল্ডিং রেখে যাওয়ার পরও সৎ ভাইদের নির্যাতনে দুই এতিম সন্তানের নির্ঘুম রাত কাটছে পার্কিংয়ের চেয়ারে বসে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকার চশমা হিলের মরহুম ইউনুছ চৌধুরীর ছেলে মোহাম্মদ জোনায়েদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ জোবায়ের চৌধুরী।

লিখিত বক্তব্যে জোনায়েদ চৌধুরী বলেন, সৎ ভাই সোহেল চৌধুরী মাদকাসক্ত, পেশাদার চোর, হত্যামামলার তালিকাভুক্ত আসামি। বর্তমানে তার মাদকাসক্ত বন্ধু দিয়ে আমাদের সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ ব্যাগ, পাওয়ার ব্যাংক, মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। বর্তমানে আমরা জীবন-মরণ নিয়ে দোদুল্যমান অবস্থায় আছি। তারা যেকোনো সময় আমাদের সম্পদের জন্য মেরে ফেলতে পারে। এলাকার সবাই তাদের অবস্থা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত।

লিখিত বক্তব্যে জোনায়েদ চৌধুরী বলেন, সৎ ভাই সোহেল চৌধুরী মাদকাসক্ত, পেশাদার চোর, হত্যামামলার তালিকাভুক্ত আসামি। বর্তমানে তার মাদকাসক্ত বন্ধু দিয়ে আমাদের সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছে। ইতিমধ্যে তারা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ ব্যাগ, পাওয়ার ব্যাংক, মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। বর্তমানে আমরা জীবন-মরণ নিয়ে দোদুল্যমান অবস্থায় আছি। তারা যেকোনো সময় আমাদের সম্পদের জন্য মেরে ফেলতে পারে। এলাকার সবাই তাদের অবস্থা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত।

তিনি বলেন, গত ২ জুন সৎ ভাইকে পৈতৃক সম্পত্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করায় আমাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। এ সময় ঘর থেকে বের না হলে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা দিয়ে, মাদ্রাসায় ছাত্র তাই জামায়াত বলে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সৎভাইয়ের ছোট মেয়ে আমার ছোট ভাইয়ের গলা চিপে ধরে মারধর করে।

সহায়তা চাইলে পুলিশ তাদের বাসায় এসে থানায় ডাকে এবং থাকার ব্যবস্থা করতে বলে। কিন্তু আমাদের বাবার ভবনে দীর্ঘদিন একটি ফ্ল্যাট খালি থাকা সত্ত্বেও সৎ ভাইয়েরা আমাদের থাকতে দেয়নি। বাধ্য হয়ে আমরা ২২-২৩ দিন ধরে বিল্ডিংয়ের পার্কিংয়ে চেয়ারে বসে বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছি। একপর্যায়ে সহ্য করতে না পেরে তালা ভেঙে ফ্ল্যাটে ঢোকার চেষ্টা করলে তারা দারোয়ান দিয়ে আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে চায়। অন্যত্র থাকার জায়গা নেই বলে আমরা পার্কিং থেকে বের হইনি।

নিজেদের এ চরম বিপদে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও সাহায্য চেয়েছেন দুই ভাই।

Sharing is caring!