গ্রীষ্মের ভর দুপুরে প্রকৃতি বিলাস

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ১৯, ২০২০
গ্রীষ্মের ভর দুপুরে প্রকৃতি বিলাস

মাস্টার সেলিম উদ্দিন রেজা   

ছবিগুলো এখন তোলা। শাপলার পাতায় পাতায় বকের সতর্ক পদাচরণ, ঠুক করে ছোট মাছ শিকার। অায়েশি আহার। ডানা মেলে পুকুরের এ পাড় থেকে ওপারে উড়াল দেয়া। অন্য দিকে পুকুর পাড়ের গাছের ডালে কুকিলের কুহু কুহু, ফিঙের ক্যাচ ক্যাচ, চড়াই পাাখির ফিত ফিত, টুনটুনির টুন টুন তাদের কলরবে প্রতিযোতিতায় অবতীর্ণ একটি কাকের কা কা, কাকের কথা লেখা শেষ না করতেই ডাক ছেড়ে নিজের কথা লেখার বিষয়টি যেন আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলো বউ কথা কও। খানিকটা দূরে পশ্চিমপাশের তাল গাছটার ওখান থেকে থেমে থেমে ভেসে আসছে ডাহুকের ডাক, এ গাছ ও গাছে পাখিদের উড়ে যাওয়ার গতি, এ নির্জনতায় পাখার শব্দ, এক্ষুণি আরো একটি অচেনা পাখির ডাক, পাখিটির ডাকার শব্দ লেখার বর্ণমালা আমার অজানা, পুকুরের স্বচ্ছ জলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা শাপলাগুলি যেন বলছে আমরা কি বাদ যাবো আপনার লেখা থেকে? চোখের সামনে উড়ে বেড়চ্ছে বাদামি রঙের একটা প্রজাপতি, একটু তফাতে উড়ে গেল একটি সাদা প্রজাপতি অনেকটা ডানা অলা শাদা পরী, একটু আগেই পুকুরে স্নান করে গেল একটি কালো রঙের পানকৌড়ি, পুকুরের স্বচ্ছ জলের একপাশ দিয়ে ডুব দিয়ে ওঠলো কিছুটা দূরে গিয়ে, পুকুর পাড়ের আম গাছ গুলোতে মৃদু বাতাসে দুলছে আম, যেন মনের সুখে দোলনায় দুলছ মনের সুখে,, উত্তর পাড়ের পশ্চিম কোণায় যে বাড়িটি আছে, সে বাড়ির ওঠানের কৃষ্ণচূড়ার গাছটিতে যেন আগুন লেগেছে এ দৃশ্যগুলো যে কতোই মনোহরী, কতই মনোমুগ্ধকর, তা কেবলই অনুভবের আর উপভোগের। ভাষায় প্রকাশের নয়। উপরে যা লিখলাম তা অরণ্য রোদন বৈ আর কিছুই নয়। কিছুই নয়….

Sharing is caring!