গাজীপুরে গরু মোটাতাজাকরণে ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট ও ক্ষতিকর তুলা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত জুলাই ২১, ২০২০
গাজীপুরে গরু মোটাতাজাকরণে ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট ও ক্ষতিকর তুলা
  • নাজমুস সাকিব
  • গাজীপুর প্রতিনিধি
‘ঈদুল আজহা’কে সামনে রেখে গাজীপুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন গরুর খামারি ও কৃষকরা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে গরুর পরিচর্যা। তারা বলছেন, ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন। তবে দ্রুত সময়ে মোটাতাজা করতে কোথাও ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

কোথাও গো-খাদ্য হিসেবে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট, পরিত্যক্ত ও ক্ষতিকর তুলা ইত্যাদি ব্যবহার করে মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। যাতে পশুর স্বাস্থ্য ও মানব স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। তবে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে যাতে পশু মোটাতাজাকরণ করা হয় তা নজরদারি করতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মেডিকেল টিম গঠন করে জেলা জুড়ে মনিটরিং করছেন। পশুর রোগ প্রতিশোধক ভ্যাকসিনও পর্যাপ্ত রয়েছে।

 

এবার গাজীপুরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু লালন পালন হচ্ছে কোরবানির জন্য। সরকারি হিসেবে প্রায় অর্ধলক্ষ গরু এবার গাজীপুরের কয়েক হাজার ছোট-বড় খামারে মোটাতাজাকরণ ও লালন-পালন করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গাজীপুর এলাকায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে গত ২০শে জুলাই মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ এর আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

এ সময় গো-খাদ্য হিসেবে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট, পরিত্যক্ত ও ক্ষতিকর তুলা বিক্রির অভিযোগে একজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।
অভিযানের সময় আশেপাশে উপস্থিত জনগণকে উচ্ছিষ্ট তুলা গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হলে পশুস্বাস্থ্য, মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে তার সম্পর্কে অবহিত করা হয় এবং সচেতন করা হয়।

Sharing is caring!