কভিড ১৯. করোনা ভাইরাস নাকি বায়োলজিকেল এট্যাক.?

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মার্চ ১৩, ২০২০
কভিড ১৯. করোনা ভাইরাস নাকি বায়োলজিকেল এট্যাক.?

গোলাম সরোয়ার সিরাজি: দেশে দেশে বায়োলজিকেল এট্যাক করার অতীত নজির রয়েছে । ১৯৭৮ সালে কিউবায় ডেঙ্গু জরে পাঁচ লক্ষ লোক মারা যায় । কিউ প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর দাবি, আমেরিকা ফিদেলের দেশ কিউবায় বায়োলজিকেল এট্যাক করেছে । আমেরিকা ফিদেলের দাবি অস্বীকার করেনি ।

১৯৯৪ সালে নাইরো ভাইরাসের কারনে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কয়েক লাখ লোক মারা যায় । তখনো কথা উঠেছিল যে, কঙ্গোতে আমেরিকা বায়োলজিকেল এট্যাক করেছে । ক্রিমিয়াতে একই বছর এই ভাইরাস হামলা করে কয়েক লাখ লোক মারা যায় , এ ইস্যুতে ক্রিমিয়ার জনগণ আমেরিকার উপর এতো ক্ষিপ্ত হয়েছিল যে, অবশেষে ক্রিমিয়া ইউক্রেন ছেড়ে রাশিয়ার সাথে মিশে যায় । ইভোলা ফিভার আফ্রিকাতে হামলা করেছিলো । আক্রান্তের ৩০ ভাগ লোক মারা যায় ইবোলায় । এটা ছিলো আমেরিকার জর্জিয়া রাজ্যে তৈরি ভাইরাসের পরীক্ষা ।

বায়োলজিকেল এট্যাক বলতে রাসায়নিক জিবাণুর হামলা বুঝায় । পৃথিবীতে রাসায়নিক জিবাণু তৈরীর ল্যাব আছে ২৫ টি । যার অধিকাংশের মালিকানা আমেরিকার । ১৯৯৪ সালে আমেরিকা জর্জিয়ায় ১০ হাজার রাসায়নিক জীবাণুবাহী মশা তৈরি করে । প্রত্যেকটি মশার তিনভাগের একভাগ রাসায়নিক জিবাণু দিয়ে ভরপুর ছিলো । ২০০১ সালের পর রাসায়নিক জীবাণুর পরীক্ষা হয় আফগানিস্তানের কান্দাহারে ।

ইউক্রেনে আমেরিকার তিনটি রাসায়নিক ল্যাব রয়েছে । রাশিয়া মনে করে এই তিনটি ল্যাবের রাসায়নিক জীবাণু দিয়ে রাশিয়া আক্রমণ করবে, তাই রাশিয়া ইউক্রেন কে ন্যাটোতে যুক্ত করার প্রবল বিরোধী । চীন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বানিজ্য বাজার । সারা পৃথিবীর বানিজ্য ইতোমধ্যে চীন দখলে নিতে সক্ষম হয় । আমেরিকার বাজার পর্যন্ত চীনের দখলে ।

তাই মনে করা হয়, চীনের বিশ্ব বাজারকে ধ্বংস করার জন্য কেউ এ কাজটি করতে পারে । ট্রাম্পের করোনা নাটক সন্দেহ কে গণি ভুত করছে । রাসায়নিক জীবাণুর পরীক্ষা করতে গিয়ে আমেরিকার জনগণ মারা যাওয়ার ইতিহাস ও আছে । আমেরিকা প্রতি বছর ২ মিলিয়ন ডলার রাসায়নিক জীবাণু তৈরীর কাজে বাজেট রাখে ।

মনে থাকুক : জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকিতে আমেরিকার ফেলা পারমাণবিক বোমার রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারনে এখনো পৃথিবীতে ভাইরাস – ব্যাকটোরিয়া – হাংগি আগাত হেনে চলছে ।

 

লেখক:-

গোলাম সরোয়ার সিরাজি

বিশিষ্ঠ লেখক ও সংগঠক

কুয়েত প্রবাসী

Sharing is caring!