ডেস্ক রিপোর্ট:

রোববার বিকেলে রাজধানীর বনানীতে দারাজ ডটকম ডটবিডির অফিসে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে আভিযান চালাচ্ছে র‍্যাব। দারাজের ওয়েবসাইটে সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রির প্রমাণ রয়েছে র‍্যাবের কাছে।

অভিযানের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম, করোনা মোকাবিলায় সরকার নানা ধরনর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অন্যতম হচ্ছে সবার জন্য মাস্কের মূল্য নির্ধারণ। তবে দারাজের ওয়েবসাইটে সরকার নির্ধারিত দাম থেকে অতিরিক্ত দামে মাস্ক বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। তাই এই অভিযান চলছে।

অভিযান শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

একের পর এক অভিযানে নিজেকে সবার কাছে তুলে ধরেছেন সারোয়ার আলম।

করোনা সংক্রমণ রোধে ফেস মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ওষুধ উৎপাদনকারী ও মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদনকারী এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে থ্রি লেয়ার সার্জিক্যাল ফেস মাস্কের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি পিস ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশি দামে কেউ বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার হুশিয়ারি দেয়া হয়।

সম্প্রতি সারোয়ার আলমের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা কেড়ে নিতে দায়ের করা রিটে আবারও আলোচিত হন তিনি। ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিকে দেয়া দণ্ডাদেশের চারমাস পার হলেও আদেশের প্রত্যয়িত অনুলিপি না পাওয়ার প্রেক্ষাপটে করা এক রিটে ১ ডিসেম্বর তাকে হাইকোর্টে তলব করা হয়। সেখান থেকে নিস্তার পাওয়ার পর গত বুধবার (১১ মার্চ) ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে তার (মোট তিনজন) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা (ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা) বাতিলের নির্দেশনার আর্জি জানিয়ে একটি সম্পূরক রিট আবেদন করা হয় হাইকোর্টে।

রিটের পরেই সরব হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সারোয়ার আলমের বিরুদ্ধে এমন রিটকে অসাধু ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত বলে উল্লেখ করছেন তারা। তবে এসবের মধ্যেও দমে যাননি সারোয়ার আলম।

সারোয়ার আলম বলেন, যাই হোক, আমি আমার কাজ, আমার অভিযান বন্ধ রাখবো না। আমি যা করি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মানুষের জন্যই করি। রাষ্ট্রের কল্যাণে আমি এই কাজ করেই যাবো। [সূত্রঃজাগো নিউজ]