ইশা ছাত্র আন্দোলনে’র উদারতায় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র গাত্রদাহ সংকীর্ণ চিন্তার প্রমান

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মে ১১, ২০২০
ইশা ছাত্র আন্দোলনে’র উদারতায় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র গাত্রদাহ সংকীর্ণ চিন্তার প্রমান

রাষ্ট্রচিন্তা’র সংগঠক দিদারুল ভূঁইয়া, কার্টুনিস্ট কিশোর, লেখক মোশতাক ও সাংবাদিক কাজলের মুক্তির দাবিতে গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে  অংশ নেয় পীর সাহেব চরমোনাইর তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ছাত্র সংগঠন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন৷ বর্তমানে যেকোন অন্যায় ও অসত্যের প্রতিবাদে এ সংগঠন অগ্রগামী৷ অন্য সংগঠনের যেকোন যৌক্তিক বিষয়ে একাত্বতা ঘোষনা ও অংশগ্রহন করে রাজনৈতিক উদারতার পরিচয় দিয়ে আসছে এ সংগঠনটি৷ তারই ধারাবাহিকতায় গতকালের মানববন্ধনেও তারা উপস্থিত হয়ে একাত্বতা ঘোষনা করে উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে৷

কিন্তু বাম রাজনীতির ইসলামফোবিয়ায় আক্রান্ত সংগঠন ‘বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র নেতারা এটিকে ‘বিব্রতকর’ বলে ঘোষনা দিয়েছে৷

রোববার সকালের ওই কর্মসূচির পর সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর বলেছে, “ওই মানববন্ধনে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া সংহতি বিব্রতকর। এটা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র আদর্শের সাথে সংঘর্ষিক। পূর্বে এবং এখন পর্যন্ত আমরা কখনও কোনো সম্প্রাদায়িক, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তির সাথে আন্দোলন করিনি।”

এ বিষয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান নিজ ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেন,

“আজকে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সারাদেশ ব্যাপি ‘রাষ্ট্রচিন্তা’ মানববন্ধনের কর্মসূচি দেয়। আমাদের আমন্ত্রণ জানালে অন্যান্য সংগঠনের মতোই ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করে।

কিন্তু আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী নামের একটি সংগঠনের সভাপতির পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতির কারণে তারা মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশে বিব্রত।

তাদের এধরণের রাজনৈতিক হীনমন্যতা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। ডাকসু নির্বাচন সহ ইতোপূর্বে প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের ছাত্র সমাজকে নিয়ে বিব্রত হয়েছে বারবার।”

 

তবে কর্মসূচির আয়োজক ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সংগঠকরা বলছেন, কেউ কর্মসূচিতে অংশ নিতে এলে তাদের বারণ করা শোভনীয় নয়।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রচিন্তার প্রধান সংগঠক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “বামপন্থি সংগঠনকে আমরা সব সময় বন্ধুই মনে করি। তবে যুদ্ধাপরাধী ও পাচারকারী ছাড়া কোনো সংগঠনের সাথে আমাদের শত্রুতা নেই। কোনো সংগঠনের সাথে আমাদের কোনো ধরনের বিদ্বেষ বা পক্ষপাতিত্বও নেই।”

Sharing is caring!