ইভিএম গণনার ৮ম রাউন্ড,২৭ হাজার ভোটে এগিয়ে মমতা

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ৩, ২০২১
ইভিএম গণনার ৮ম রাউন্ড,২৭ হাজার ভোটে এগিয়ে মমতা

আওয়ার বাংলাদেশ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। ইভিএম গণনার ৮ম রাউন্ড শেষে মমতা ব্যানার্জী ২৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বলেই জানাচ্ছে কলকাতার সংবাদমাধ্যম। মোট ২১ রাউন্ড গণনা হবে। এরপরই প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ফল।

রবিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ভবানীপুরের এলগিন রোডের শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুলে ভোট গণনা শুরু হয়। গণনাকেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এর আগে ইভিএম গণনার প্রথম রাউন্ড শেষে প্রায় ২৭৯৯ ভোটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। এই রাউন্ডে মমতা পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৬৮০ ভোট। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল পেয়েছেন ৮৮১ ভোট এবং সিপিএ প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস ৮৫টি ভোট।

পোস্টাল ব্যালট গণনায়ও এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৭৭৫ পোস্টাল ব্যালটের গণনা শেষ হয়েছে এরই মধ্যে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের দুই কেন্দ্রে চলছে পোস্টাল ব্যালট গণনা। দুটি কেন্দ্রেই এগিয়ে তৃণমূল। শমসেরগঞ্জে ২৫০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুরে ১৭১৭ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী জাকির হুসেন।

ভবানীপুর উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭ শতাংশের সামান্য বেশি। গত ২৬ এপ্রিলের বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। তৃণমূলের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জিতেছিলেন ২৮ হাজার ৭১৯ ভোটের ব্যবধানে। এপ্রিলের নির্বাচনের তুলনায় সেপ্টেম্বরের উপনির্বাচনে কিছুটা কম ভোট পড়লেও ভবানীপুরে এর আগের উপনির্বাচনের তুলনায় কিন্তু অনেকটা বেশি ভোট পড়েছে এবার।

২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই কেন্দ্রেই উপনির্বাচনে জিতে আসেন মমতা। তাতে ভোট পড়েছিল ৪৫ শতাংশেরও কম। মমতা জিতেছিলেন ৫৪ হাজারের কিছু বেশি ভোটে।

ভবানীপুরে এবার মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১২। মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। সিপিএম প্রার্থী ছিলেন শ্রীজীব বিশ্বাস। ঘটনাচক্রে তিনিও পেশায় আইনজীবী।

এদিকে, তৃণমূলের নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘ভোট-পরবর্তীতে কোথাও কোনও হিংসা হবে না। এগুলো বিজেপির অপপ্রচার। বিজেপি এসব প্রচার করে বাংলাকে অপমান করতে চাইছে। ভবানীপুর শান্তিপূর্ণ এলাকা। আমরা উৎসবে মাতব, আবির খেলব, মিষ্টি খাব।’

সূত্র: আনন্দবাজার

Sharing is caring!