আস্তিকদের শ্লোগানে নাস্তিকরা পালাবার পথ খুঁজে পাবে না পীর সাহেব চরমোনাই

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত নভেম্বর ২০, ২০২০
আস্তিকদের শ্লোগানে নাস্তিকরা পালাবার পথ খুঁজে পাবে না পীর সাহেব চরমোনাই
  • মোঃ ইসমাইল
  • ভোলা জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা। ঢাকা কে বলা হয় মসজিদের শহর। সেখানে ভাস্কর্যের নামে মূর্তির শহর বানানো হচ্ছে। তাই ওলামায়ে কেরাম এর প্রতিবাদ করছে। এটা সংবিধানের ভিত্তিতে বৈধতা। সেখানে আজকে নাস্তিকদের দলেরা কিভাবে ক্ষেপে উঠেছে? তাদের এসব কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় দেশটা তাদের। কিন্তু নাস্তিকরা তোমরা জেনে রাখ এদেশে এখনো আস্তিক রয়েছে। আস্তিকদের নারায়ে তাকবীর ধ্বনিতে যখন রাজপথ প্রকম্পিত হবে তখন তোমরা নাস্তিকরা পালাবার জায়গা খুঁজে পাবে না বাংলার জমিনে। সুতরাং সব সময় মুখ সামলিয়ে কথা বলতে হবে। আমরা এ দেশে ভেসে আসিনি।আমরা এদেশের সন্তান, এদেশের মাটি, এদেশের বাতাস, এ দেশের সর্বত্র আমাদের শরীরের রক্ত ,গোস্তের সঙ্গে মিশে আছে। এদেশ তোমাদের কাছে আমরা বিক্রি করিনি। তোমরা আমাদের হুমকি দিবে, মনে কর ভয়ে আমরা নতজানু হয়ে থাকবো।এটা তোমরা ভেবো না।

২০নভেম্বর, শুক্রবার ,ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংগ্রামী আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন,ইশা ছাত্র আন্দোলন সাহাবাদের অনুসরণ। সাহাবায়ে কেরাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠিন ছিলেন, দাওয়াতের ময়দানে কোমল ছিলেন,রাতে আল্লাহর কাছে রহমতের আশ্রয় চেয়েছেন। তোমাদের কেও সেই পথ অনুসরণ করতে হবে।তাহলে তোমরাই বিজয় অর্জন করতে পারবে,তখন নাস্তিকদের আওয়াজ বন্ধ হয়ে যাবে।

আশা ছাত্র আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মদ ইউসুফ আহমেদ মানসুর, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান,জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা তাজউদ্দিন ফারুকী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আতাউর রহমান মোমতাজী, জেলা জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা তরিকুল ইসলাম, মাওঃ আবু ইউসুফ, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেনসহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন,১৯৭১ সালে আমরা দেশকে স্বাধীন করেছি সোনালী সকাল দেখার জন্য।যে সকালে আমার বোনের কান্নার আওয়াজ শুনবো না, রায়হানের মতো যুবক পুলিশ হেফাজতে জীবন দিতে হবে না।আমরা এমন দেশ পাইনি। আমাদের কে অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে মুহাম্মদ বিন কাসিম ভারতের একটি বোনের আর্তনাদের চিঠি পেয়ে নিজের স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে ভারত অভিযানে আসেন। এভাবেই পাক ভারত মহাদেশে ইসলামের আবির্ভাব ঘটে।

তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের কে তিনটি কাজ করতে হবে,(১)সংগঠন যখন ,যেখানে ,যেভাবে যে দায়িত্ব দেয় তা পালন করতে হবে (২) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে এবং (৩) যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।সেই স্বপ্ন পূরণ করতে প্রয়োজনে জিহাদের ময়দানে শহীদ হওয়ার তামান্না নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে কিছু অসভ্য , উৎশৃংল পোলাপান চায় এদেশে হাঙ্গা দাঙ্গা সৃষ্টি করতে। আমাদের কে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।আমরা সবসময় এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, শুধু ঢাকা নয়; বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম গন্জের কোথাও কোনো মূর্তি স্থাপন করতে দেওয়া হবে না।যদি পীর সাহেব চরমোনাই আন্দোলনের ডাক দেয় তাহলে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এদেশ বিক্রির ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ভোলায় অর্ধ নির্মাণাধীন সকল মূর্তি ভেঙে ফেলতে হবে। নচেৎ আবারো রাজপথে নেমে আসবো।

বক্তারা আরো বলেন, আগামী ইউনিয়ন ও পৌর নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের কঠিন ভাবে প্রতিহত করা হবে।ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় চিরদিন থাকা যাবেনা।যা ইতিপূর্বে আমেরিকার নির্বাচন প্রমান করে।

Sharing is caring!