আল্লাহ আকবার ধ্বনিতে মুখরিত কীর্তনখোলা নদীর পাড়       

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
আল্লাহ আকবার ধ্বনিতে মুখরিত কীর্তনখোলা নদীর পাড়       

নিজস্ব প্রতিবেদক:  

বুধবার বাদ যোহর উদ্বোধনী বয়ানে শুরু হয়েছে  মাহফিল।  প্রতিবছর মুসল্লী বেড়েই চলেছে।  এবছর  ৫ টি বৃহৎ ময়দানে কানায় কানায় ভরপুর হয়ে গেছে একদিন আগেই।  পুরা চরমোনাই এখন জনসমুদ্র।  এ যেন মুসলমানদের বৃহৎ মিলনমেলা ।  চার দিকে সুন্নতী পরিবেশ। প্রতিটি ময়দান থেকে ভেসে আসছে আল্লাহ আকবার ধ্বনি।  ময়দানের ভিতর চলছে তালিম।  নামাজ শিক্ষা,  কুরআনের তালিম।  চারদিকে ইবাদতে সময় কাটাচ্ছে মানুষ৷ মধুর কন্ঠে ভেসে আসছে জিকির।  পথে ঘাটে বাড়িঘরের উঠানে অবস্থান নিয়েছেন মানুষ।  এ এক মোহনীয় পরিবেশ।  সবার লক্ষ  মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও দিদার লাভ।

এদিকে ময়দানে ছয়জন মুসল্লীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার বাদ যোহর আনুষ্ঠানিক বয়ানের মাধ্যমে শুর হয়েছে। শুরুতেই  বয়ানে চরমোনাই  পীর মুফতি সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম বলেন, চরমোনাই এটা কোন প্রচলিত দরবার নয়। দুনিয়াবি কোন স্বার্থ হাছিলের জায়গা না। দুনিয়াবি কোন বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া, ধনসম্পদ বৃদ্ধি করা অথবা রোগ বালাই থেকে আরোগ্য লাভের বাহানা নিয়ে এখানে কেউ আসবেন না। যদি কেউ এমন নিয়্যতে এসে থাকেন, তাহলে এখুনি নিয়্যত পরিবর্তন করে ফেলুন। এখানে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক জড়ায়ে দেয়ার কাজটা করা হয়। হেদায়েত লাভের পথটা বাতায়ে দেয়া হয়।

উদ্বোধনী বয়ানে দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে পীর সাহেব চরমোনাই আরও বলেন, শুধু মাহফিলে আসলেই হবে না, সার্বক্ষণিক জিকিরে-ফিকিরে আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে হলে সবার আগে ঈমানকে মজবুত করতে হবে। কলবে আল্লাহর জিকির ধারণ করতে হবে। দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ভুলে গিয়ে জিকির এবং ঈমানের সঙ্গে চলাফেরা করলে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ সম্ভব বলে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।’

চরমোনাই ফাল্গুনের মাহফিলে পীর সাহেব চরমোনাই’র অামন্ত্রণে মালয়েশিয়ার জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব শাইখ দাতু ওয়ান জাহিদী বিন ওয়ান তেহ এবং মালয়েশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শাইখ আহম্মদ হাফিজ বিন হাজী মোহাম্মদ বাকানি চরমোনাই মাহফিলে  অবস্থান করছেন।

Sharing is caring!