আদর্শ স্বামী: তৃতীয় পর্ব

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২০
আদর্শ স্বামী: তৃতীয় পর্ব
  • উম্মে হাবিবা সাইমা ( চট্টগ্রাম)

দ্বিতীয় পর্বের পর….

যখন ইসলামের পথে এসেছি তখন কেনো গোনাহের কাজে লিপ্ত না থেকেও জাহান্নামে যাবো। আমাকে ধৈর্য ধরে মারিয়াকে বোঝাতে হবে। মারিয়াকে একটু করে বুঝিয়ে শুনিয়ে ইসলামের পথে আনতে হবে।একদিন একটা একটা করে সবগুলো যাতে করে সেদিকে দেখতে হবে। জোর পূর্বক করলে সঠিক পথে আনা যাবে না। ইসলাম জোর জবরদস্তীর ধর্ম নয়। ইসলামের পথে যারা আসে তারা ইসলামের বিধানকে ভালোবেসে আসে। ইসলামের প্রতি তাদের আগ্রহ হয়েছে বিধায় তারা সঠিক পথে আসতে পেরেছে।

মারিয়ার ডাকে মাহিনের ভাবনার ছেদ পড়ে। তখনি মাহিন মারিয়াকে বলে, ও ভালো কথা, আরিয়ান কোথায়? মারিয়া বলে, তাকে সকালে তার মামার সাথে পাঠিয়ে দিয়েছি। মাহিন বলে, কেনো? মারিয়া বলে সে আমাদের সাথে গেলে সবাই আমাকে আন্টি, খালামনি বলবে। তোমাকে কি সবাই এখন আপা,ভাবি ডাকবে?! মারিয়া অন্তত হিজাবটা পড়ে এসো।

মারিয়া বলে, কি শুরু করেছো তুমি। শুধু পর্দা আর পর্দা। মেয়েদের কি স্বাধীনতা বলতে কিছুই নাই? সে কি সবসময় ঘরকুনো হয়ে থাকবে। এখন যুগ এসেছে সমান ভাবে তাল মিলিয়ে চলানোর। স্বাধীনভাবে চলার। কিন্তু কে শুনে কার কথা। উনি আসছে কি এক ইসলাম নিয়ে। এই যুগে কি এইসব কেউ মেনে চলে,কেউ তো দেখছি না যে মেনে চলছে , তো আমিও কেনো মেনে চলবো। আমি যদি মেনে চলি লোকে আমাকে টিটকারি মারবে।

বলবে আসছে আমাদের হুজুরের বউ। আমার তো ওই মাথামুটো দাড়িওয়ালার লোকদের পছন্দ না। শুধু ফতোয়া আর ফতোয়া দেই। এই যুগে মেয়েরা স্বাধীন চলবে তা না তারা তাদের স্ত্রী,কন্যাদের কি এক হাবিজাবি বোরকায় আবৃত করে রাখে, ওমা সাথে নাকি আরো হাত মোজা আর পা মোজা। সে মেয়েদের স্বাধীনতা বলতে কি কিছুই নাই? তারা সেরকম চলাফেরা করতেছে। আমাকে বললে তো আমি সেই কবে মরে যেতাম হয়তো।

মাহিন বলে,মেজাজ খারাপ করবে না। উল্টা পাল্টা গায়ে পড়ার মতো কথা বললে তোমার বোধগম্যতা আসবে তাই না। সেটা হলে সেটাই করবো। নিজে তো মানবেই না আরো অন্যরা মানলে টিটকারি মারে।লজ্জা করে না তোমার,মেয়ে হয়ে মেয়েদের নিয়ে কথা বলো। কবে যে তোমার এই ধরনের মন-মানসিকতাগুলোর পরিবর্তন হবে?

মারিয়া বলে,আমার মন-মানসিকতা ঠিকই আছে। দয়া করে তোমারটা তুমি পরিবর্তন করো।

মাহিন বলে,কি বললে তুমি?…………….

আমার মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে। আরে আধুনিক যুগের আধুনিকা নারী প্রথমে আপনারটা আপনি দেখুন তারপর না হই আমাকে বলিয়েন। মারিয়া বলে,বাব্বাহ অনেক সুন্দর কথা বলেছেন তো।ঠিক আছে তাইলে আপনার গেঁয়ো ক্ষ্যাত মন-মানসিকতা নিয়ে আপনি থাকেন। আমাকে আপনার ওইসবের মধ্যে ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। মাহিন বলে, তাই নাকি।
-হুম
-আচ্ছা যাও। তাড়াতাড়ি হিজাব পড়ে আসো।
-যাচ্ছি যাচ্ছি। এইতো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো।
-আচ্ছা।
মারিয়া চলে গেলো হিজাব পড়তে। মাহিন সোফায় বসে থাকে। মারিয়া সিড়ি বেয়ে নিচে নামছে। মাহিন তাকে দেখে হতবাক হয়ে যায়। সে মনে মনে বলছে, চেয়েছিলাম কি আর হয়েছে কি। আচ্ছা থাক আস্তে আস্তে দ্বীনের পথে আসার জন্য বোঝাতে হবে। আমাকে ধৈর্য ধরে বোঝাতে হবে। মারিয়া এসে মাহিনের সামনে এসে দাড়ায়।

আর তখনি মাহিন বলে উঠল, মারিয়া হিজাব পড়েছো তাতে আমি খুশি হয়েছি কিন্তু তোমার এই বেশভূষা দেখে অনেক খারাপ লাগছে। হিজাব পড়ার কারণে তোমার চুল দেখা যাচ্ছে না তাই তুমি জাহান্নামের একটা শাস্তি থেকে বাঁঁচবে। যদিও শাস্তি একটা থেকে বাঁচতেছো কিন্তু অন্যান্য শাস্তি থেকে কিভাবে বাঁঁচবে? যদি এই হিজাব পড়াটা ফ্যাশনের জন্য হয় তাহলে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হবে।হিজাব পর্দার জন্য,স্টাইল ফ্যাশনের জন্য নয়।

-আমার না শুধু একটাই ভয় হয়?

-মারিয়া বলে,কিসের ভয় হই গো!!!

মাহিন বলে যদি দাইয়্যুস হয়ে মারা যাই।(যে ব্যক্তি বেচে থাকতে তার স্ত্রী সন্তান-সন্ততিদের পর্দা ব্যাপারে তাগিদ দেই নি বা অবহেলা করেছে সে ব্যক্তি দাইয়্যুস। আর দাইয়্যুস ব্যক্তির জন্য জান্নাত হারাম)। যদি তুমি না বোঝ বা বোঝার চেষ্টা না করো , তাহলে আমি যে জান্নাতে যেতে পারবো না। আচ্ছা তুমি তো কিছুই জানো না বা জানার ও চেষ্টা করো না। আচ্ছা এসব এখন থাক! যেখানে যাচ্ছি সেখান থেকে আসি তারপর না হয় দেখা যাবে।

মাহিন আর মারিয়া বেড়ানোর জন্য বের হলো। তারা যখন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল,তখন সামনের দিকে তাকাই, যখন তাকালো তার চোখ আটকে গেলো। সে দেখলো একটা বোরকা পরিহিতা মেয়ে হেটে যাচ্ছে। আর তার সাথে একজন পুরুষ আর একটা ছোট্ট মেয়ে যাচ্ছে। মারিয়া যে মেয়েটিকে সে দেখলো সে মেয়েটি শুধু নিজেকে বোরকা দ্বারা আবৃত করে নি সেই সাথে হিজাব, হাত আর পা মোজা দ্বারা ও নিজের পুরো দেহকে আবৃত করেছে। তার শরীরের এক অংশ ও দেখা যাচ্ছে না। আর আমি কিনা…..
এই আমি কি ভাবছি!!!! সে তো একটা হুজুরের বউ। মেয়েটি তার ছোট্ট মেয়েকে ও ছাড় দেই নি। সেই ছোট্ট মেয়েটিকেও বোরকায় আবৃত করে রেখেছে।

বোরকা পরিহিতা মেয়েটি ছিলো নাজমিন। আর তার মেয়েটির নাম ছিলো নুসরাত। নাজমিন নিজেও ধর্মের বিধান মেনে চলে আর সেইসাথে তার স্বামী নাহিদ ও। নুসরাতকে তারা ছোটকাল থেকে ধর্মের ব্যাপারে শিক্ষা দিচ্ছে। তাই মেয়েটিকে ছোটকাল থেকেও পর্দা করাচ্ছে। যাতে বড় হলে পর্দার প্রতি উদাসীন না হয়।

আশ্চর্যজনক বিষয়,নিজেই হুজুরনী হয়ে গেছে ছোট মেয়েটারে বানাইতেছে। এই আধুনিক যুগে এইরকম মেয়েও দেখা যাচ্ছে ভাবা যাই না। এই মেয়েগুলো কি মানুষ নাকি পাগল কিছুই তো বুঝছি না।আরে পাগল ও তো একপ্রকারে মানুষ। তাদের সমস্যার কারণে তারা পাগল। এই মেয়ের কি সমস্যা আছে নাকি যে নিজেই তো করে আর ছোটটিকে করাই। এই আধুনিক যুগে ফুর্তি করবে তা না!!! আর সে আছে কি এক পর্দা নিয়ে। কিভাবে যে থাকে এই ভেসে। আমার না এসব দেখে লজ্জা হচ্ছে। (মারিয়া এসব নিজেকে নিজে বলছে)। হঠাৎ তার চোখ সামনে যায় আর সে আৎকে উঠে,সে দেখতে পায় নাজমিন মেয়েটির সামনে আরেকটি মেয়ে হেটে যাচ্ছে সে হচ্ছে আতিকা ,সেখানে ছিল কয়েকটা বখাটে ছেলে (আশিক,আরিফ,আয়মান,সিফাত,রেজা,সোয়াদ)। আর আতিকা ছেলেগুলোর সামনে দিয়ে স্টাইল করে চুল নেড়ে নেড়ে যাচ্ছে।

আতিকার বেশভূষা ও ঠিক মারিয়ার মতো। আশিকসহ তার বন্ধুরা সবাই আতিকাকে দেখামাত্র আতিকার কাছে এসে বিভিন্ন উত্তেজনা মুলক কথাবার্তা বলতেছে। মেয়েটি বিরক্তবোধ করতেছে।একপর্যায়ে আতিকা তাদের গালিগালাজ শুরু করে।

নাজমিন এসব কান্ডকারখানা দেখে হতবাক হয়ে যায়, সে মনে মনে বলছে,এইসব মেয়েদের বাবা-মায়ের ইসলামিক জ্ঞান না থাকার কারণে দুনিয়ার আধুনিকতার প্রতি আশক্ত হয়ে মেয়েকে অশালীন ভাবে রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছে আর এখন মেয়েটি বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে অপদস্থ হতে হচ্ছে।মেয়েটির বাবা-মায়ের কথা কি আর বলবো মেয়েটি যদি নিজের সম্মান নিজে বুঝতো তাহলে তার দেহের সৌন্দর্য রাস্তার ছেলেরা গিলে খেতো না। এতে যেমন মেয়েটির গোনাহ হচ্ছে আর মেয়েটিকে যারা যারা দেখতেছে তারাও হচ্ছে। যারা দ্বীনের পথে নতুন এসেছে তাদের চোখের হিফাজত করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। প্রথম প্রথম সবারই এরকম কষ্ট হবে।বেপর্দা মেয়েদের চালচলনের জন্য।

নাজমিনের স্বামী নাহিদ এসব দেখে হতবাক হয়ে যায়। ঝগড়ার একপর্যায়ে আতিকা আশিককে চড় মারতে যাবে এমন সময় নাহিদ এসে তাদের থামায়। নাজমিন তার মেয়ে নুসরাতকে নিয়ে আস্তে আস্তে একটু দুরত্বে তাদের সামনে এসে দাড়ায়।

মাহিন ও মারিয়া এই সময় তাদের সামনে এসে দাড়ায়। মাহিন মারিয়াকে নিরাপদ দুরত্বে রেখে যেখানে ঝামেলা হয়েছিল সেখানে যায়। জানতে চাই কি হয়েছিলো,তখন আতিকা নাহিদ ও মাহিনকে বলে,দেখেন ভাই এই ছেলেগুলো কিভাবে আমাকে ইভটিজিং করছে। এদের জন্য কি মেয়েরা বাইরে বের হতে পারবে না। মেয়েরা কি ঘরের কোণে বসে থাকবে। মেয়ে দেখলেই তাদের চোখ উপরে উঠে যায়। তারা কি তাদের চোখকে নিচের দিকে রাখতে পারে না।

তারা যদি নিচের চোখকে নিচের দিকে রাখতো তাহলে কি মেয়েদের এতো অপদস্থ হতে হতো। নিশ্চয়ই হতো না। তারা কেনো রাখে না। যদি রাখতো আমরা মেয়েরা ইভটিজিং এর শিকার হতাম না।

হঠাৎ আতিকার চোখ যায় বোরকা পরিহিতা মেয়ে নাজমিনের দিকে। আতিকা নাজমিনের বেশভূষা দেখে হতবাক হয়ে যায় আর হাসে। বোরকা পরিহিতার স্বামী মেয়েটিকে এভাবে হাসতে দেখে জানতে চাই কেনো হাসছে,তখন মেয়েটি বলে এই আধুনিক যুগে এরকম মেয়ে আছে দেখে হাসি পাচ্ছে তাই হাসছি। তখন নাহিদ বলল, আপনার এই আধুনিকতার কারণে আপনি আজ এতোগুলো মানুষের সামনে অপদস্থ হলেন তবুও কিভাবে বলছেন হাসি পাচ্ছে। লজ্জা শরম কই গেলো?

তখন দলের ছেলেদের লিডার আশিক বলে উঠল ওই হুজুর জ্ঞান দিতে এসেছেন,নিজের জ্ঞান নিজে নিয়ে থাকুন। আর শুনেন মেয়েটির ব্যাপারে নাক না গলালেও চলবে। এই মেয়েটি আমার গার্লফ্রেন্ড। ছেলেটি বাকি ছেলেদের দিকে তাকিয়ে বলে এই ঠিক বললাম নি। তোদের ভাবি না কি কিউট!!! সবাই বলে, ঠিকি তো।

নাহিদ বলে আপনারা কোন ধর্মের মানুষ? এই আপনি দেখছেন না আমরা মুসলিম। চোখ কি গেছে নাকি হে! আপনারা মুসলিম তাই নিশ্চয়ই ইসলামকে ভালোবাসেন। তাই না। আয়মান বললো,হু। আচ্ছা তাহলে ছোট্ট একটা প্রশ্ন করি? আশিক বলল,আচ্ছা করেন। নাহিদ বলল,আমরা কোন নবীর উম্মত?আশিক বলল শেষ নবীর। আমাদের নবীর নাম কি? আশিক বলল হযরত মুহাম্মদ (সঃ)। এই তো। নাহিদ বলল,তাহলে কি শেষ নবীর উম্মত হিসেবে আমাদের হযরত মুহাম্মদ (সঃ)এর সুন্নাতগুলো মেনে চলা উচিত নয় কি? ছেলেটা বলল,অবশ্যই উচিৎ না বরং কর্তব্য।

নাহিদ বললেন,তাহলে আমি আপনাকে কয়েকটা কথা বলতে চাই, আপনি কথাগুলো ঠান্ডা মাথায় শুনবেন আর বোঝার চেষ্টা করবেন, কি বলতে চাই। আপনারা সবাই শুনবেন কিন্তু। আশিকসহ বাকী সবাই সবাই বললো,এতো প্যাচাল করেন কেনো, যেটা বলতে চান সেটাই বলুন। নাহিদ বলল, ঠিক আছে বলছি শুনেন ভালো করে। কান কাড়া করে শুনেন। আপনারা বলেছেন আমরা সবাই শেষ নবীর উম্মত এবং একজন মুসলিম ও শেষ নবীর উম্মত হিসেবে তাঁর সুন্নাতগুলো পালন করা আমাদের সকলের কর্তব্য।আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দেখানো পথে চলা ও তাঁদের আদেশ নিষেধ মেনে চলা কর্তব্য। তাঁরা যেটা করতে বলেছেন সেটা করা আর তাঁরা যেটা করতে নিষেধ করেছিলো সেটা না করা আমাদের উচিৎ। তাই তো। রেজা বলল,হ্যা উচিৎ তারপর বলেন। আশিকসহ বাকী সবাই সবাই নাহিদের কথাগুলো অধির আগ্রহে শুনছে। তার কথাগুলো শুনতে অনেক ভালো লাগছিল এরকম ভালো মনে হয় আর কোন দিন লাগে নাই। এরকম কেনো লাগছে তারা কারণ খুজে পায় না। নাহিদ বলতে শুরু করলো,আপনারা মুসলিম তা ঠিক তবে আপনাদের ইসলামের দেওয়া বিধি -বিধানের কোন কিছু নিজেদের কারো মধ্যে নাই। হইতো জানেন না, তাই নাই! নইতো ! জেনেও না জানার বাহানা করে আছেন। আপনারা কি জানেন ইসলাম সম্পর্কে জানা আর মানা এক নয়? তা অবশ্যই জানি,তারপর বলুন। শুনুন তাইলে,কেউ যদি ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু জানে যা তারা আগে জানতো না, জানার পর সেটা পালন করতে হয়। যদি না করে তাহলে গোনাহগার হতে হয়। আপনারা ইসলাম ধর্মে আছেন ঠিকই। কিন্তু ইসলামের কোনো কিছু আপনাদের মধ্যে নাই। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের(সঃ) দেওয়া বিধি-বিধান মেনে চলা কর্তব্য। আমাদের জীবনকে গড়ে তোলা উচিৎ হযরত মুহাম্মদ (স) এর সুন্নাত দিয়ে। আমাদের জীবনের প্রত্যেক কিছুতে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে অনুসরণ করা উচিত। এতে আমাদের দুনিয়া ও আখিরাত উভয়েই মঙ্গলজনক হবে।

চলবে…..

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন আগামীকাল ঠিক এই সময় পর্যন্ত

 

প্রথম পর্ব: আদর্শ স্বামী

দ্বিতীয় পর্ব: আদর্শ স্বামী

 

[লেখায় কারও অনুভূতিতে আঘাত লাগলে আওয়ার বাংলাদেশকে দোষারোপ না করার বিশেষ অনুরোধ থাকবে]

Sharing is caring!