আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ার বাংলাদেশ
প্রকাশিত অক্টোবর ৯, ২০১৯
আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই : প্রধানমন্ত্রী

তানিম ইবনে তাহের

স্টাপ রিপোর্টার:

কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাইলে করতে পারে, তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর সম্পর্কে জানাতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোন দল আমাদের সহযোগী সংগঠন, সেটা আমাদের গঠনতন্ত্র রয়েছে। কিন্তু কোনো অঙ্গ-সংগঠন আমাদের নেই। ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন না। ছাত্র সংগঠন সমস্ত আলাদা সংঘটন, সেভাবে আছে। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন, এই দেশে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছাত্ররাজনীতি অবদান রয়েছে। একটা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে। বুয়েট যদি মনে করে, তাহলে নিষিদ্ধ করে দিতে পারি; এটা তাদের উপর। তিনি আরো বলেন, কিন্তু ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে দিতে হবে, এটা মিলিটারি ডিকটেরদের কথা। তারাই এসে-তো পলিটিক্স ব্যান্ড, স্টুডেন্টস পলিটিক্স ব্যান্ড করে গেছেন। আমাদের দেশে নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে ছাত্ররাজনীতি থেকে। আমি ছাত্ররাজনীতি করে এখানে এসেছি। এজন্য আমরা দেশের জন্য কাজ করতে পারি। যারা উড়ে এসে বসে, তারা ক্ষমতাটাকে উপভোগ করতে আসে। তাদের কাছে ওই ধরনের চিন্তাভাবনা থাকে না। রাজনীতি একটা শিক্ষার ব্যাপার, ট্রেনিংয়ের ব্যাপার, এটা ছাত্ররাজনীতি থেকে গড়ে ওঠে। তার মন-মানসিকতা গড়ে উঠবে। কিন্তু আমাদের দেশে অসুবিধা হলো বার বার মিলিটারিরা ক্ষমতা এসেছে মানুষের চরিত্র হরণ করেছে, তাদের লোভী করে দিয়েছে। নানা ধরনের ভোগবিলাসের পথ দেখি গেছে। যেটা নষ্ট রাজনীতি হয়ে গেছে। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ফিরিয়ে নিয়ে আসছি। একটা ঘটনা ঘটেছে বলে নিষিদ্ধ করতে হবে? যদি কোন প্রতিষ্ঠান করতে চায়, সেটা করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েরে সম্পর্কে একটা কথা বলতে চাই। একেকটা ছেলে-মেয়ের পিছনে, যারা পড়াশুনা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বলেন, বুয়েট বলেন তাদের স্বায়ত্তশাসনও দেওয়া আছে আবার খরচও সরকারকে বহন করতে হয়। এবং মোটা টাকা, একেকটা ছাত্রের পিছনে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। সেই হিসাবটা কেউ করে না।

Sharing is caring!